ঢাকা, বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১২ মাঘ ১৪২৮ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

সংবাদকর্মীর উপর হামলা, ৪ দিনেও রেকর্ড হয়নি মামলা

  সাভার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২২, ২৩:২১

সংবাদকর্মীর উপর হামলা, ৪ দিনেও রেকর্ড হয়নি মামলা
ছবি- প্রতিনিধি
সাভার প্রতিনিধি

নির্বাচনী সংঘাতের ভিডিও ধারণকালে সংবাদকর্মীর উপর হামলার ঘটনায় গত ৬ জানুয়ারী ঢাকার আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দিলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা রেকর্ড করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নিতে পুলিশ গড়িমসি করছে বলেও জানান তিনি।

অভিযোগে প্রকাশ, গত ৬ জানুয়ারী রাতে আশুলিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বিজয়ী ইউপি সদস্য জাকির মন্ডল ও পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থী সোহাগ মন্ডলের সমর্থকদের সাথে মন্ডলপাড়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হতে থাকে। এ সময় সাভারের ব্যাংক কলোনীর খলিলুর রহমানের ছেলে ও দৈনিক দেশ সংবাদ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এনামুল হক শামীমের সামনে ঘটনাটি ঘটতে থাকলে তিনি সংঘর্ষের ভিডিও ধারন করতে থাকেন। এ সময় দুর্গাপুরের জাকির মন্ডলের ছেলে এবং আশুলিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সভাপতি আল-আমীন মন্ডল (২২), রিপন মন্ডলের ছেলে রাজু মন্ডল (২৫), মনু মন্ডলের ছেলে দিলা মন্ডল (৫৫) সাধু বেপারীর ছেলে আসাদুল (৩০), দিলা মন্ডলের ছেলে সজল (২৫) সহ অনেকে এনামুল হক শামীমের উপর হামলা চালিয়ে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এ সময় সংবাদকর্মী পরিচয় দিলেও এরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে এবং কিল-ঘুষি দিয়ে শামীমকে আহত করে।

এরপর ওই রাতেই এনামুল হক শামীম আশুলিয়া থানায় উপস্থিত হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

দৈনিক দেশ সংবাদ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এনামুল হক শামীম জানান, আমার উপর নৃশংস হামলা হওয়ার পরে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি। আমার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়নি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও পুলিশ গড়িমসি করছে।

রোববার (৯ জানুয়ারী) বিকেলে এ প্রতিবেদক ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন যে, আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন জাকির মন্ডলের বাড়িতে আছেন এবং সেখানে তিনি উঠানে বসে সকলের সাথে খাবার খাচ্ছেন। এ সময় সংঘর্ষের ব্যাপারে কথা বলতে বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা এসেছেন জেনে ইউপি সদস্য জাকির মন্ডল ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। প্রায় ২ ঘন্টা অপেক্ষা করেও তিনি না আসায় কথা হয় তার ছেলে আল-আমীন মন্ডলের সাথে। আশুলিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সভাপতি আল-আমীন মন্ডল বলেন, সংঘর্ষের সময় এনামুল হক শামীম সাংবাদিক কিনা, তা না জেনেই তার উপর হামলা হয়েছে। পরে জানতে পারি তিনি একজন সাংবাদিক।

আশুলিয়া থানার এসআই মামুন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তবে, সংঘর্ষের দিন আরেক সাব ইন্সপেক্টর সজিব কুমার ঘটনাস্থলে ছিলেন। তিনি বিষয়টি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। অভিযোগের বর্তমান অবস্থা তিনি ভাল বলতে পারবেন। এ ব্যাপারে কথা বলতে আশুলিয়া থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামানকে না পেয়ে পরে তার মোবাইল যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত