ঢাকা, রোববার, ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে
ব্রেকিং নিউজ
  •   দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হাজী সেলিমের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত

শাবিপ্রবি উপাচার্যকে প্রত্যাহারের দাবি সংসদে

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:১৭

শাবিপ্রবি উপাচার্যকে প্রত্যাহারের দাবি সংসদে
কাজী ফিরোজ রশীদ
জার্নাল ডেস্ক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যকে অপসারণের দাবি উঠেছে আজ জাতীয় সংসদে। রোববারের মধ্যে শাবিপ্রবির উপাচার্যকে প্রত্যাহার করে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ও পীর ফজলুর রহমান।

এসময় কাজী ফিরোজ শিক্ষামন্ত্রীকে ডাবল মাস্ক পরে সিলেট যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী আছেন, উনি বলেছিলেন যে তোমাদের দাবিদাওয়া রেখে ঢাকা আসো আমার সঙ্গে আলোচনা করতে। আমরা সবাই ছাত্র আন্দোলন করে এসেছি। আন্দোলনের মাঠ ছেড়ে কখনো ছাত্ররা কারও সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা আসবে না, আমরা জানি। মন্ত্রীর উচিত ছিল ওখানে ডাবল মাস্ক পরে যাওয়া। মোনায়েম খান বহুবার আমাদের বঙ্গভবনে ডেকেছেন। আমরা তখন ছাত্র ছিলাম, আমরা বিয়ের দাওয়াত পেতাম না, আমাদের মিলাদের দাওয়াতও দিত না। বঙ্গভবনের দাওয়াতও কিন্তু আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা কখনো কোনো আন্দোলন করতে গিয়ে বঙ্গভবনের দাওয়াতে যাইনি। ছাত্ররা কেন আসবে আপনার কাছে। প্রতিটি ছাত্র আন্দোলন এ দেশে হয়েছে যৌক্তিকভাবে।’

কাজী ফিরোজ আরও বলেন,‘আর কোনো তদন্ত রিপোর্ট নয়, কারও সঙ্গে আলাপ–আলোচনা নয়, শিক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী আছেন, ভাইস চ্যান্সেলরকে আজকের মধ্যেই ওখান থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে আসেন, ছাত্রদের ক্লাসে ফিরে যেতে সহায়তা করেন। কয়েক দিন ধরে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ও হাউস টিউটরের পদত্যাগের দাবিতে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তারা ১১ দিন ধরে অনশনে আছেন, ১৬ জন ইতিমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গেছেন। এতে কারও টনক নড়ছে না। জাপার এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘যখনই যারা সরকারের থাকে, সে আন্দোলনকে তারা অযৌক্তিক মনে করে। ভাইস চ্যান্সেলর এমন কোনো স্থায়ী পদ নয় যে তিনি চলে গেলে ওই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। একজন উপাচার্যকে সরাতে ছাত্ররা যদি অনশন করে, এর চেয়ে দুঃখজনক কিছু নেই। বুঝতে হবে ভাইস চ্যান্সেলরের ওপরে ছাত্রদের কোনো আস্থা নেই, বিশ্বাস নেই। তার কোনো ভালোবাসা নেই, শ্রদ্ধাবোধ নেই এবং থাকা উচিত নয়। ওনার যদি বিন্দুমাত্র আত্মসম্মানবোধ থাকত, উনি অবশ্যই এখান থেকে সরে আসতেন। উনি জোর করে বসে আছেন পুলিশ ঘেরাও করে।’

সাংসদ পীর ফজলুর রহমান বলেন, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে লাগাতার আন্দোলন চলছে। শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের সঙ্গে আলাপ করতে গেলে গ্রেনেড হামলা, লাঠিপেটা করা হয়েছে। ছাত্রদের ওপর আক্রমণ করার কারণেই উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে তারা আন্দোলন শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে ভিসি কোনো আলোচনা না করার কারণে শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশনে গেছেন।

যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভিসিকে চান না। স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে না চাইলে সরকারের উচিত আজকের মধ্যে তাকে অব্যাহতি দেয়া।

বাংলাদেশ জার্নার/এমএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত