ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ আপডেট : ৫ মিনিট আগে

১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ছেলেসহ কারাগারে ট্রাফিক পুলিশ

  চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৩১

১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ছেলেসহ কারাগারে ট্রাফিক পুলিশ
প্রতীকী ছবি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ছেলেসহ চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক কনস্টেবল মোহাম্মদ মহিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সিএমপির ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় অভিযুক্ত কনস্টেবল মোহাম্মদ মহিবুল্লাহকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন সিএমপি ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার তারেক আহমেদ।

একই ঘটনায় গ্রেপ্তার অন্য ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন- মো. ইয়াছিন আরাফাত তুষার (২৩), সহযোগী জাহিদ হোসেন (৩৯) ও রাশেদ হাসান (৩২)। এদের মধ্যে ইয়াছিন আরাফাত হলেন পুলিশ সদস্য মহিবুল্লাহর ছেলে।

গত ১৮ জানুয়ারি নবী হোসেন নামে এক ব্যক্তি পাহাড়তলী থানার মামলা করলে একইদিন তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তবে বিষয়টি জানাজানি হয় আজ রোববার।

গত ১৮ জানুয়ারি এক আদেশে উপ-পুলিশ কমিশনার তারেক আহমেদ জানিয়েছেন, গত ১৬ জানুয়ারি নবী হোসেন নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম কোর্টে হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে পাহাড়তলী সিডিএ মার্কেট এলাকায় কনস্টেবল মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ তাদের বহনকারী প্রাইভেট কারটিকে থামানোর নির্দেশ দেয়। গাড়ি থামলেই কনস্টেবল মহিবুল্লাহ গাড়িতে উঠে মামলায় ফাঁসিয়ে দিবেন বলে ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। এতে রাজি না হলেও মামলার ভয়ে কনস্টেবল মহিবুল্লাহকে নগদ ৮ হাজার এবং বিকাশে এক লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করা হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৮ জানুয়ারি কনস্টেবল মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ তার ছেলে বিকাশ এজেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত, জাহিদ হোসেন, রাশেদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকায় ও ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ায় কনস্টেবল মোহাম্মদ মহিবুল্লাহকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে বরখাস্তকালীন তিনি খোরপোষ ভাতা পাবেন বলে আদেশে জানানো হয়।

উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) তারেক আহমেদ বলেন, অনৈতিক কার্যকলাপের সাথে যেই জড়িত থাকবে তাকেই শাস্তি পেতে হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত