ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট ২০২২, ১ ভাদ্র ১৪২৯ আপডেট : ৭ মিনিট আগে

কর্মস্থলে ফিরলেন টিটিই শফিকুল

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২২, ১৬:১৩  
আপডেট :
 ০৯ মে ২০২২, ১৯:২২

কর্মস্থলে ফিরলেন টিটিই শফিকুল
শফিকুল ইসলাম
জার্নাল ডেস্ক

সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের পর কর্মস্থলে ফিরেছেন পাকশী রেল বিভাগের ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরিদর্শক (টিটিই) শফিকুল ইসলাম। সোমবার সকাল থেকে অফিসে অবস্থান করছেন তিনি।

পুনর্বহালের আদেশের খবর পেয়ে আজ সকালে পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশনের কার্যালয়ে হাজির হন রেলের এই কর্মকর্তা।

শফিকুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন এসআরআইটি (সিনিয়র ইন্সপেক্টর অব ট্রেইন) বরকতুল্লাহ আলামিনের কাছ থেকে ডিআরএম অফিস থেকে দেয়া কন্ট্রোল অর্ডারের (নং ২৮৬, তাং ৮ মে-২০২২) কথা জেনেছেন। এরপর সকালে অফিসে এসেছেন। পত্রটি অফিসে পৌঁছানোর পর অনানুষ্ঠানকিভাবে ডিউটি শুরু করবেন।

এর আগে রোববার দুপুরে ডিআরএম শহীদুল ইসলাম গণমাধ্যমে শফিকুলকে পুনর্বহালের কথা জানান।

সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের (সাংবাদিক) ধন্যবাদ দেয়ার মতো ভাষা আমার জানা নেই। আমি সারা জীবন আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, এখনও আমি কোনো ট্রেনের দায়িত্ব পাইনি। তবে আমি অফিসেই অবস্থান করছি। আশা করছি আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে হয়তো কোনো ট্রেনে ডিউটি পাবে। ডিউটি পাওয়ার সঙ্গেই আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য যথারীতি পালন করবে ইনশাল্লাহ।

গত বৃহস্পতিবার (৫ মে) দিবাগত রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে বিনা টিকিটে এসি রুমে উঠেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের আত্মীয় পরিচয়ে তিন যাত্রী। মাঝপথে তাদের বিনা টিকিটে রেল ভ্রমণের দায়ে জরিমানা করে সাময়িক বরখাস্ত হন ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) শফিকুল ইসলাম। এ নিয়ে গণামধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে দেশব্যাপী সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার পর ওই তিন আত্মীয়ের পরিচয় অস্বীকার করে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ করা যাত্রীরা আমার আত্মীয় নয়; তাদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে কেউ হয়তো সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’

রেলমন্ত্রী পরিচয় অস্বীকার করলেও সরেজমিনে গিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। ট্রেন যাত্রীরা হলেন- রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের স্ত্রী শাম্মি আক্তার মনির দুই মামাতো ভাই ওমর ফারুক ও হাসান আলী এবং অপরজন প্রতিবেশী ইমরুল কায়েস প্রান্ত। ওমর ফারুক পাবনার ঈশ্বরদীর শহরের নুর মহল্লার মৃত আব্দুর রহমান ও হাসান আলী একই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর ছেলে। আর প্রান্ত ঈশ্বরদীর ফতেহ মোহাম্মদপুর এলাকার কবির আহমেদের ছেলে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রান্তর মা ইয়াসমিন আক্তার নিপা রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মি আক্তার মনির খুবই ঘনিষ্ট।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত