হবিগঞ্জে কাঁঠালের বাম্পার ফলন

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২২, ০৭:৫৮ | অনলাইন সংস্করণ

  জার্নাল ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ জেলায় এবছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে কাঠাল উৎপাদন করা হয়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার টন।

জেলার বাহুবল উপজেলার হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলের সড়কে অবস্থিত মুছাই আড়তে চলছে জমজমাট কাঁঠালের ব্যবসা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে পাইকারী বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচেপড়া ভিড়। 

দূরদুরান্ত থেকে পাইকাররা এসে ট্রাক বোঝাই করে নিয়ে যাচ্ছেন কাঁঠাল। আর বাহুবল উপজেলার পাহাড়ি এলাকার বাগান মালিকরা জিপ দিয়ে হাজার-হাজার কাঁঠাল নিয়ে আসছেন এই আড়তে। 

বাহুবল উপজেলার ফয়জাবাদ পাহাড়ের চারিদিকে শুধু কাঁঠাল গাছ। অনুকুল আবহাওয়ায় এবছর  গাছগুলোর শাখা ভরে উঠে এই ফলে। 

বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আরজু মিয়া জানান, এবছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। শুরুতে ভাল দাম থাকলেও এখন দাম কম। 

কাঁঠাল বাগান মালিক আমিনুল ইসলাম জানান, তার বাগানে ৫০০ কাঁঠাল গাছ আছে। এ বছর ৬/৭ লাখ টাকার কাঁঠাল উৎপাদন হয়েছে তার বাগানে। 

হবিগঞ্জের সবচেয়ে বড় ফলের পাইকারী বাজার মুছাই। এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি আড়ত। এই আড়তে বিক্রির জন্য কৃষকরা তাদের কাঁঠাল নিয়ে আসেন। প্রতি ১০০টি হিসাবে নিলামের মাধ্যমে এই কাঁঠাল বিক্রি হয়। 

মুছাই থেকে ট্রাক ভর্তি হয়ে দেশের বিভন্ন স্থানে চলে যায় এই কাঁঠাল। এখন বিদেশেও যাচ্ছে হবিগঞ্জের কাঁঠাল।

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আশিক পারভেজ জানান, হবিগঞ্জের মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এখানকার কাঁঠাল তুলনামুলকবাবে মিষ্টি ও সুস্বাধু। তাই এখানকার কাঁঠালের চাহিদা বেশী। এবছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার প্রায়  ১৩ হাজার  হেক্টর জমিতে কাঁঠাল উৎপাদন করা হয়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার টন।

সূত্র: বাসস

বাংলাদেশ জার্নাল/ওএফ