জাফরুল্লাহর বক্তব্য আদালতকে হুমকির শামিল: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২২, ১৮:১২ | অনলাইন সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

কারাবন্দি আলেমদের মুক্তি চেয়ে ১০ হাজার মানুষকে নিয়ে হাইকোর্ট ঘেরাও করার যে বক্তব্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দিয়েছেন, তা আদালতকে হুমকি দেয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধু’বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় কারাবন্দি আলেমদের মুক্তি চেয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, দুইদিনের মধ্যে যদি তাদের সবার জামিন না হয়, আমরা হাজার দশেক লোক নিয়ে হাইকোর্ট ঘেরাও করে থাকব। তাদের মুক্তি না হলে হাইকোর্টে ঈদের জামাত হবে না। আমরাই ওইখানে মাঠ দখল করে বসে থাকব।

এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, আদালত ঘেরাওয়ের যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে সেটি সরাসরি আদালতের প্রতি হুমকি স্বরূপ। আমি জানি না, আদালত সেটিকে কিভাবে বিবেচনা করবেন। তবে এটি আদালতকে হুমকি দেয়ার শামিল।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন মানুষের উপস্থিতি নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের বিষয়ে ড. হাছান বলেন, বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে, পদ্মা সেতু তাদের গলার কাঁটা হয়ে গেছে। সারাদেশের মানুষ যেভাবে উচ্ছ্বাসিত, পুলকিত, উল্লসিত এবং গর্বিত বিএনপি ঠিক সমপরিমাণ লজ্জিত বলে তাদের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে।

তিনি বলেন, মূল অনুষ্ঠানে শুধু ৩ হাজার মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। সেখানে আর কারো যাওয়ার সুযোগ ছিলো না। তিন হাজার মানুষের প্রত্যেককে করোনা টেস্ট করে সেখানে যেতে হয়েছে।

বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমার মনে হয় তাদের এখন সত্যিই মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন। বিশেষ করে রিজভী আহমেদের। তিনি অসুস্থ ছিলেন। আমার মনে হয় পুরোপুরি সুস্থ হননি। সেজন্য অসুস্থ মানুষের মতোই কথা বলেন। আরও একটু চিকিৎসা দরকার আছে বলে আমার মনে হচ্ছে।

তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়ার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেন। 

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেএ