ঢাকা, বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯ আপডেট : ৫ মিনিট আগে

অভিযোগ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষা অফিসারের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

  জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২২, ১৭:০২  
আপডেট :
 ০৬ জুলাই ২০২২, ১৭:৪৭

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষা অফিসারের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা
প্রধান শিক্ষক বিলকিস বেগম। ফাইল ছবি
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা ও উস্কানিমূলক পোস্ট করার অভিযোগে জয়পুরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিলকিস বেগমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার জেলা জয়পুরহাট সিনিয়র বিজ্ঞ আমলী আদালত-১ এ মামলাটি করেন জেলা শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম।

জয়পুরহাট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার এ মামলার আদেশ দেবেন আদালত।

তবে সরকারের সমালোচনা ও উস্কানিমূলক পোস্টের অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক বিলকিস বেগম জানান, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার নামে ফেইক আইডি খুলে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি এসবের সাথে কোনভাবেই সম্পৃক্ত নন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, বিলকিস বেগমের স্বামী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার একজন অন্যতম আসামি ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু (বর্তমান কারাগারে আছেন)। বিলকিস বেগম বিএনপি জামায়াতের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশে অশান্তি, অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অনেক দিন থেকে ফেসবুকে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উস্কানিমূলক পোস্ট দিছিলেন ও শেয়ার করে আসছিলেন। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণসহ আইশৃঙ্খলা অবনতি ও সৃষ্টি হতে পারে।

মামলায় বলা হয়েছে, তিনি উস্কানিমূলক যেসব কথা ফেসবুকে প্রচার করেছেন তা সরকারের বিরুদ্ধে এক প্রকার যুদ্ধ ঘোষণার ইঙ্গিত। যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার পর্যায়ে পড়ে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে চাকরিবিধি লংঘন করার সুযোগ নেই। যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এজন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির অফিস আদেশে ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫ (১)/২৯ (১)/৩১/৩৫ ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযুক্ত বিলকিস বেগম বলেন, আমার আইডিতে এ ধরনের কোন পোস্ট বা শেয়ার আমি কখনোই করিনি। আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া আইডি খুলে কি কি জানি পোস্ট করেছে বিষয়টি আজকেই জানতে পারলাম। আমাকে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কোচিং বাণিজ্যে জড়িত কুচক্রি কিছু শিক্ষক এসব কাজ করেছে। এর জন্য আমি কোনভাবেই দায়ী নই।

এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনজার্চ আলমগীর জাহান জানান, আদালত থেকে এখন কোন কাগজ হাতে পাইনি। হাতে আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত