ঢাকা, বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

তদারকির গাফিলতিতেই সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ড: তদন্ত কমিটি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২২, ২০:১০  
আপডেট :
 ০৬ জুলাই ২০২২, ২০:১৫

তদারকির গাফিলতিতেই সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ড: তদন্ত কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএম কনটেইনার ডিপোসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি তদারকি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনার ১ মাস পর চট্টগ্রাম বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বুধবার বিকেলে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ১৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি বলেছে, এক মাস আগে বেসরকারি ওই কনটেইনারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মালিকপক্ষ এবং তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো দায় এড়াতে পারে না।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা বুধবার বিকালে চট্টগ্রমের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।

কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান বলেন, ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনার কারণ, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সুপারিশ প্রণয়নের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তাদের ওপর। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তারা তদন্ত করেছেন।

কমিটির প্রতিবেদনে ২০টি সুপারিশ রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা দুর্ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়েছি এবং কারা এর জন্য দায়ী তা নির্ধারণের চেষ্টা করেছি। এটাকেই চূড়ান্ত বলা যাবে না। এ ঘটনায় বৃহত্তর তদন্তও হতে পারে।

বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, দুর্ঘটনার পর সরকারের নির্দেশে এ তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। আমরা এ প্রতিদেন মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে পাঠাবো। সেখান থেকে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ হবে।

উল্লেখ্য, গত ৪ জুন রাতে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর একের পর এক বিস্ফোরণে তা ছড়িয়ে পড়ে। ডিপোতে থাকা রাসায়নিকের কারণে ছড়িয়ে পড়া ওই আগুন ৮৬ ঘণ্টা পর বিভিন্ন বাহিনীর চেষ্টায় নেভানো হয়।

দুর্ঘটনার পর মোট ছয়টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর এবং বিভাগীয় কমিশনারের গঠিত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিল।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত