ঈদে ঘরে ফেরায় বাইকারদের জন্য মুভমেন্ট পাস

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২২, ১৩:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্ঘটনা রোধে এবার ঈদের সাতদিন মহাসড়কে বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এক জেলার মোটরসাইকেল যেতে পারবে না অন্য জেলায় অন্য জেলায়। সরকারের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা দেয়ার পরই বাইকচালকদের ভেতর দেখা দিয়েছে তীব্র অসন্তোষ। অনিশ্চয়তায় পড়েছে অনেকের ঈদে ঘরে ফেরার আনন্দ।

তবে বাইকচালকদের এই দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে পুলিশ প্রশাসন সদয় হয়েছেন এবার। সবকিছু বিবেচনায় ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা বাইকারদের জন্য মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ অপরাধসভায় এ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানেই হঠাৎ মহাসড়কে বাইক নিষেধ করায় সেটি নিয়ে জনমানুষের সমালোচনার পর এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছে পুলিশ প্রশাসন। 

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একমত হয়েছেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপে মহাসড়কে বাইক বন্ধের মতো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা কঠিন। সেটি করতে গেলে বরং জনরোষ তৈরি হবে। এছাড়া এমন সিদ্ধান্তের ফলে অনেক মানুষের ঈদে ঘরে ফেরা হবে না, কারণ নিজের বাইক আছে বলে অনেকেই গণপরিবহনের টিকিটের ব্যবস্থা করেনি আগে থেকে। যার ফলে সেসব ঈদে বাড়ি যাওয়া হবে না, আর এমনটা হলে তাদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হবে বলেই মনে করেন পুলিশের কর্মকর্তারাও।

এই সবকিছু বিবেচনা করেই মোটরসাইকেল চালকদের জন্য মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার।

ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, বাইকাররা তাদের যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে ট্রাফিকের ডিসি বা জেলার এসপি বরাবর আবেদন করবেন। সেখান থেকে তাদের কারণ বিবেচনায় পাস দেয়া হবে। সেই পাস দিয়ে তারা ভ্রমণ করতে পারবেন।

তিনি আরো বলেন, বাইক চালকদের চলাচলের বিষয়গুলো সবদিক বিবেচনা করে আমরা দেখেছি। যারা যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারবেন তাদের তো কোনোভাবে বাধা দেয়া যায় না। 

প্রসঙ্গত গত ৩ জুলাই জানানো হয়, ইদের সাতদিন (৭ জুলাই-১৩ জুলাই) মহাসড়কে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় বাইক চলাচল নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্ত জানানোর পর বাইকারদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। অনেকেই রাজধানীতে কর্মসূচি পালন করে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার দাবিও জানান।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসএস