ঢাকা, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে
শিরোনাম

সাভার-ধামরাইয়ে দুর্গোৎসব হবে ৪২৮টি পূজামণ্ডপে

  সাভার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:৪২  
আপডেট :
 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৭:৫১

সাভার-ধামরাইয়ে দুর্গোৎসব হবে ৪২৮টি পূজামণ্ডপে
প্রতিমা শিল্পীদের দিন কাটছে নানা ব্যস্ততায়। ছবি: প্রতিনিধি
সাভার প্রতিনিধি

আগামী ১ অক্টোবর (শনিবার) ষষ্ঠীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহা উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এখন পুজো ঘিরে চলছে চরম ব্যস্ততা। সাভার ও ধামরাইয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

রংতুলির আঁচড়ে দেবীকে সাজানো হচ্ছে এক অপরূপ রূপে । আর এ কারণে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা শিল্পীদের দিন কাটছে নানা ব্যস্ততায়। সনাতন ধর্ম মতে, দেবী দুর্গা অসুর দমনের শুভ শক্তি নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করবেন। দুষ্টের দমন আর সৃষ্টের পালনের জন্যই দশ হাতে দেবী দুর্গা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আগমন করেছিলেন।

শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ঘরে-বাইরে পুজো ঘিরে চলছে ব্যস্ততা।

জামা-কাপড় তৈরি, কেনা-কাটায় সরগরম শহরের বিপণিবিতানগুলো। শারদীয় দুর্গা উৎসবকে কেন্দ্র করে চারপাশে বইছে উৎসবের আমেজ। এবার ঢাকার সাভারে ২২৪টি ও ধামরাইয়ে ২০৪টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।

গত দুই বছর করোনা মহামারির কারণে বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে সীমিত পরিসরে উৎসবটি পালন করা হয়। তবে মহামারির প্রভাব কিছুটা কমে যাওয়ার কারণে এবারের আয়োজন হচ্ছে বেশ ঘটা করে। গত এক মাস ধরে মণ্ডপগুলোতে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। অধিকাংশ মণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণের কাজ শেষ। শুধুমাত্র রঙতুলির কাজ বাকি। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার সঙ্গে রাত-দিন সমান তালে কাজ করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।

সাভারের বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন রিপন পাল ও তার সহযোগীরা। শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় দম ফেলবার ফুরসত নেই তাদের। রিপন পাল বলেন, ‘এ বছর ১৩টি প্রতিমার কাজ শুরু করেছি। সামনে বেশি সময় না থাকায় দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে।’

তিনি আরও জানান এ বছর প্রতিটি প্রতিমা তৈরির খরচ ৮০-৯০ হাজার টাকা নিলেও আমাদের পোষাবে না। কারণ প্রয়োজনীয় উপকরণের মধ্যে রং, কাপড়, পুঁথির মালা, পরচুলা, চুমকি, শোলা ও কারিগরের মজুরিসহ সব কিছুর দাম বেড়ে গেছে।’

এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে দুর্গাপূজার কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও।

ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে পূজা উদযাপন সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেছি। পূজার সময় গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ বিভিন্ন এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া কন্ট্রোলরুম খোলা, ২৪ ঘণ্টা সাইবার মনিটরিং, টহল পুলিশ দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/রাজু

  • সর্বশেষ
  • পঠিত