ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ৫ মিনিট আগে
শিরোনাম

চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক বিআরটিএ কর্মকর্তার স্ত্রী

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৯:২৩

চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক বিআরটিএ কর্মকর্তার স্ত্রী
প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক আবদুল জলিল মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা নাছরিনের নামে চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ঘটনায় বুধবার স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক পাবনা কার্যালয়।

মামলায় আবদুল জলিল ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে এ টাকা অর্জন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবদুল জলিল মিয়ার বাড়ি পাবনার ফরিদপুরের বেরহাউলিয়া গ্রামে। তিনি পটুয়াখালী বিআরটিএ কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক পদে কর্মরত।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবদুল জলিল মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা নাছরিন পেশায় গৃহিণী। তার নিজের কোনো আয় নেই। কিন্তু তার নামে ২ কোটি ৭৪ লাখ ৩০ হাজার ৩৩৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া তিনি দুদকে জমা দেয়া সম্পদ বিবরণীতে আরও ১ কোটি ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৯৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। সব মিলিয়ে তাঁর নামে ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য মিলেছে।

জলিল মিয়া তার অবৈধ আয়কে বৈধ করতে নিজের নামে সম্পদ না করে স্ত্রীর নামে অর্জন করেছেন। অর্থাৎ ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তার স্ত্রীর নামে হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মাহমুদা নাছরিনের নিজস্ব কোনো আয় না থাকলেও তিনি আয়কর নথি খুলেছেন। তার সব সম্পত্তি স্বামী জলিল মিয়ার অবৈধ আয় দিয়ে অর্জন করা। জলিল মিয়া অবৈধ আয়কে বৈধ করতেই নিজের নামে সম্পদ না করে স্ত্রীর নামে সম্পদ অর্জন করেন। ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন।

দুদুক পাবনা কার্যালয়ে উপপরিচালক খায়রুল হক বলেন, অনুসন্ধানের পর জলিল মিয়া ও তার স্ত্রী মাহমুদা নাছরিনের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) ও ৪(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/সুজন/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত