ঢাকা, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ৪ মিনিট আগে
শিরোনাম

আমাদের এখানে গবেষণা হচ্ছে না: পরিকল্পনামন্ত্রী

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৬:২২

আমাদের এখানে গবেষণা হচ্ছে না: পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘দুঃখজনক বিষয়। আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত হলেও প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভারত, সিঙ্গাপুর ও ব্যাংককে চিকিৎসা নিতে যায়। অনেকে পড়াশোনার জন্য যায়, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু বড় অংশ যাচ্ছে চিকিৎসা নিতে। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো ঘাপলা রয়েছে।’

শুক্রবার সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে মেডিকেল অনকোলজি সোসাইটি ইন বাংলাদেশ আয়োজিত ঢাকা ক্যানসার সামিট-২০২২ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

মন্ত্রী বলেন, ২০-৩০ বছর আগে চোখ, হার্টসহ দেশে কোনো ইনস্টিটিউট ছিলো না, এখন অনেক হয়েছে। তারপরও আরও ভালো করতে হবে। কারণ, ভালো কাজে প্রতিযোগিতার কথা বলা হয়েছে। দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিকে ২৫-৩০ ধরনের ওষুধ বিনা মূল্যে দেয়া হচ্ছে। তবে যে কারণে এসব ক্লিনিক করা হয়েছে, সেটি পূরণ না হওয়ার পেছনে কারণ রয়েছে। আমাদের আর্থসামাজিক পরিবর্তনের যে গতি এসেছে, ২০৪০-৪১ সালের দিকে উন্নত দেশে পৌঁছানোর যে পরিকল্পনা, তা বাস্তবায়নে সবাইকে পরিশ্রম করতে হবে। এ জন্য গ্রামাঞ্চলেও চিকিৎসা ব্যবস্থায় জোর দিতে হবে। দেশের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ গ্রামে থাকে।’

চিকিৎসকদের গবেষণায় জোর দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে এম এ মান্নান বলেন, ‘আমাদের এখানে গবেষণা হচ্ছে না। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীও অনেকটা ক্ষুব্ধ। চিকিৎসকদের অন্যতম প্রধান কাজ গবেষণা। এর জন্য অর্থের প্রয়োজন হলে সরকার তা দেবে।’

এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, ‘বিশ্বজুড়েই ক্যানসার চিকিৎসা একটি বড় সমস্যা। শুধু বয়স্করা নয়, কম বয়সীরাও আক্রান্ত হচ্ছে। এ জন্য ডায়াগনসিস বাড়ানোর বিকল্প নেই। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ক্যানসার নির্ণয়ে ডায়াগনসিস সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কার্ডিয়াক অবস্থা অনেক ভালো। কিন্তু ক্যানসারে এখনও আমরা পিছিয়ে। ভবিষ্যতে ক্যানসার রোগী কোন পর্যায়ে যেতে পারে, সে জন্য একটি রোডম্যাপ থাকা দরকার।

অনুষ্ঠানে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. স্বপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যয় বলেন, ক্যানসার অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা। সাম্প্রতিক সময়ে এর হার বেড়েছে। গ্রামাঞ্চলে মুখসহ নানা ধরনের ক্যানসারের রোগী দেখা যায়। কিন্তু উপজেলা পর্যায়ে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। ফলে বেশির ভাগ রোগীকে ঢাকামুখী হতে হয়। বিশেষ করে জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আসে। স্থানীয় পর্যায়ে স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা থাকলে এসব রোগী কমানো সম্ভব।

বাংলাদেশ জার্নাল/রাজু

  • সর্বশেষ
  • পঠিত