ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ২ মিনিট আগে
শিরোনাম

ব্যতিক্রমী সংবর্ধনায় আপ্লুত সাফজয়ী মারিয়া ও শিউলি

  ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২২, ১৮:৪৬

ব্যতিক্রমী সংবর্ধনায় আপ্লুত সাফজয়ী মারিয়া ও শিউলি
সংগৃহীত ছবি
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ভিন্ন রকম এক সংবর্ধনা পেয়েছেন কলসিন্দুরের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী গারো সম্প্রদায়ের দুই ফুটবলার মারিয়া মান্দা ও শিউলি আজিম। তাদের নিজস্ব গানের সঙ্গে নাচ দিয়ে শুরু হয় সংবর্ধনা। শেষেও ছিল গারো সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। মধ্যে বক্তব্য ও উপহার প্রদান।

রোববার দুপুরে সম্মিলিত গারো ছাত্রসমাজের উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয় ময়মনসিংহের ভাটিকাশর এলাকায় অবস্থিত ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে।

এর আগে পথে পথে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন সাফজয়ী নারী ফুটবল দলের আট সদস্য। বৃহস্পতিবার কলসিন্দুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। সাধারণত ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কলসিন্দুর গ্রামে যেতে সময় লাগে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা। তবে কলসিন্দুরের অপরাজিতা নারী ফুটবলাররা ভোরে রওনা দিয়ে বাড়ি পৌঁছেছেন শুক্রবার রাতে। কারণ পথে পথে মানুষ তাদেরকে সংবর্ধনা দিয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা পেয়েছেন কলসিন্দুরের আট নারী ফুটবলার।

মারিয়া ও শিউলিকে দেয়া সংবর্ধনায় গারো সম্প্রদায়ের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আশিষ বনোয়ারির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম। শুরুতে মারিয়া ও শিউলি মিলনায়তনে ঢুকতেই গারো সম্প্রদায়ের তরুণীরা নিজেদের ভাষার গানের সঙ্গে নাচ পরিবেশন করেন। মারিয়া ও শিউলি যখন সংবর্ধনা মঞ্চে যান, তখন আরও একটি নৃত্য পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে শিউলি আজিম বলেন, আমি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন স্থানে মানুষের কাছে নিজের গারো পরিচয়ের জন্য গর্ব করি। বর্তমানে খেলার পাশাপাশি ফুটবল কোচিং শিখছি। ভবিষ্যতে গারো তরুণীদের নিয়ে কাজ করব।

মারিয়া বলেন, সাফ জয়ের পর সারা দেশের মানুষের যে ভালোবাসা পেয়েছি, তার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।

লাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত