ঢাকা, সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

এসপি নাইমার মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ

  চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২২, ১৮:২২

এসপি নাইমার মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের এসপি নাইমা সুলতানার করা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত চিফ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল হালিম পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন।

শুনানি উপলক্ষ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আজ বাবুলকে চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাতে নগরীর খুলশী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রোর ইনচার্জ পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বাবুল আক্তারের ভাই মো. হাবিবুর রহমান লাবু ও বাবা আব্দুল অয়াদুদ মিয়া।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রশিকিউশন) মো. কামরুল হাসান। তিনি বলেন, নগরের খুলশী থানায় করা এই মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

বাবুলের আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, আমার মক্কেল জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন। এ ছাড়া আইনজীবীর সঙ্গে এক ঘণ্টা কথা বলার জন্যও আবেদন করা হয়েছে। দুটি আবেদনই পরবর্তী সময় শুনানির জন্য রেখেছেন আদালত।

গত ১০ নভেম্বর সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদারের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাবুল আকতারসহ অন্য আসামিরা মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এর অংশ হিসেবে ইলিয়াস হোসেনকে দিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ‘স্ত্রী খুন, স্বামী জেলে, খুনি পেয়েছে তদন্তের দায়িত্ব’ শিরোনামে ফেসবুক ও ইউটিউবে ডকুমেন্টারি ভিডিও প্রচার করেছেন।

এর আগে পিবিআই হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেছিলেন বাবুল আক্তার। স্বীকারোক্তি আদায়ে হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে গত ৮ সেপ্টেম্বর এই আবেদন করেছিলেন তিনি। গত ১১ সেপ্টেম্বর একই আদালতে ফেনী কারাগারে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন বাবুল। গত ২৫ সেপ্টেম্বর বাবুল আক্তারের মামলার আবেদন খারিজ করে দেন চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালত। এর আগে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারও ওই চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে গিয়ে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা।

মাহমুদা হত্যা মামলায় বাবুলসহ সাতজনকে আসামি করে ১৩ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। বাবুল ছিলেন এই মামলার বাদী। বাদী থেকে তিনি হয়েছেন প্রধান আসামি।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত