ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে
শিরোনাম

কে এই সানজিদা?

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৮:১৬  
আপডেট :
 ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৮:৩৪

কে এই সানজিদা?
সানজিদা

সম্প্রতি শাহবাগ থানায় নিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পেটানোর ঘটনায় আলোচনায় এসেছেন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সানজিদা আফরিন নিপা। তিনি রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হকের স্ত্রী।

সানজিদা আফরিনের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুরের নাগদা শিমলা ইউনিয়নে। তিনি এম হোসেন আলীর মেয়ে। তার বড় বোন পেশায় একজন ডাক্তার।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) হিসেবে কর্মরত এবং ৩১তম বিসিএস কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন: এডিসি হারুনের সঙ্গে বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন সানজিদা

২০১৬ সালের ৫ মে থেকে ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে ছিলেন সানজিদা। এরপর ২০২১ সালের ৬ মে থেকে ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত গাজীপুর সদর সার্কেলে এএসপি হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর তিনি ডিএমপিতে যোগদান করেন।

গুঞ্জন উঠেছে এডিসি হারুনের সঙ্গে তার ‘বিশেষ’ সম্পর্ক রয়েছে। তবে তা অস্বীকার করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একটি ছবি ছড়িয়ে দিয়ে হারুন স্যারের সঙ্গে আমার বিয়ের কল্পকাহিনী প্রচার করছে। হারুন স্যারের সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই। তিনি শুধুমাত্র আমার কলিগ।’

আরও পড়ুন: 'আমার স্বামীই হারুন স্যারকে প্রথম আঘাত করেছেন'

এর আগে মঙ্গলবার এডিসি হারুন অর রশিদের ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধরের ঘটনার বিষয়ে এডিসি সানজিদা আফরিন গণমাধ্যমকে বলেন, গত শনিবার তার স্বামী রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হক মামুনই আগে এডিসি হারুনের গায়ে হাত তোলেন। এছাড়া তাকেও বিনা কারণে মারধর করেন তার স্বামী।

এছাড়া এ ঘটনায় রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হক মামুনের দায় খুঁজছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে— রাষ্ট্রপতির এপিএস ও ছাত্রলীগ নেতারাই প্রথমে এডিসি হারুনকে মারধর করেছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘আপনি অসুস্থ, হাজব্যান্ড জানে না, স্যার কীভাবে জানে?’

এপিএস মামুনের দায় বের করতে যেখান থেকে ঘটনার সূত্রপাত হয়, সেই বারডেম হাসপাতালে কী ঘটেছিল, সেটি তদন্ত করে বের করা উচিত বলে মনে করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর রশীদ।

তিনি বলেন, এপিএস মামুন এবং ছাত্রলীগ নেতারাই বারডেম হাসপাতালে আগে এডিসি হারুনকে মারধর করেছেন। একই ধরনের তথ্য তুলে ধরে এডিসি হারুনের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন এপিএসের স্ত্রী পুলিশের এডিসি সানজিদা আফরিনও।

বাংলাদেশ জার্নাল/আইজে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত