ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ আপডেট : ১৪ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

ব্যাংকের ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড প্রতারণা, আটক ৫

  ফরিদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ২০:৩২

ব্যাংকের ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড প্রতারণা, আটক ৫
গ্রেপ্তারকৃতরা। ছবি: প্রতিবেদক

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় যৌথ অভিযান চালিয়ে ব্যাংকের ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড প্রতারণা ও জালিয়াতি চক্রের ৫ সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) পুলিশ সুপার (এসপি) ফারহানা ইয়াসমিন তাদের আটকের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

এর আগে একইদিন ভোরে ফরিদপুরের ভাঙ্গার আজিমনগর এলাকায় ঢাকার এন্টি টেররিজম ইউনিট ও ফরিদপুর জেলা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন- জেলার ভাঙ্গা উপজেলার পাতরাইল বাগবাড়ী দিঘীরপাড় এলাকার লিকু মাতুব্বরের ছেলে সাকিল মাতুব্বর ওরফে শাকিব (২৭), একই এলাকার মৃত আ. রশিদ মৃধার ছেলে শরিফুল মৃধা (৩৭), পাশের পাতরাইল দিঘিরপাড় এলাকার মৃত জয়নাল শেখের ছেলে শাওন শেখ (২০), একই উপজেলার মধ্য পাতরাইল কবিরাজ বাড়ী এলাকার বালাম কবিরাজের ছেলে রাকিব কবিরাজ (২৫) ও পাতরাইল উথলী তালুকদার বাড়ি এলাকার এসকেন তালুকদারের ছেলে জাকির হোসেন তালুকদার (৩৮)।

পুলিশ হেডকোয়ার্টারের এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) ও ফরিদপুর জেলা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) পুলিশ সুপার (এসপি) ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, প্রতারণাকারী এ চক্রটি প্রতারণার শুরুতে বিভিন্ন সরকারি ভাতা, অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি প্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকা, মোবাইল নম্বর সহ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন তথ্য অনলাইন হতে সংগ্রহ করে। এরপর সরকারি ভাতা, অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি প্রদানকারী দপ্তরের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে তালিকায় থাকা ব্যক্তিদেরকে তাদের মোবাইল নম্বরে ফোন করে। এরপর ওই ব্যক্তিকে তার নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে প্রতারক বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে এবং জানায় যে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা প্রেরণ করলে সময় বেশি লাগবে, তবে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড যদি থাকে তাহলে তৎক্ষণাৎ টাকা প্রেরণ করা যাবে।

এসপি ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ফলে ভুক্তভোগী প্রতারকের ফাঁদে পড়ে প্রতারকদের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড নম্বর এবং এটিপিসহ (OTP) সকল গোপন তথ্য প্রদান করে। পরবর্তীতে প্রতারকরা খুব সহজেই মেটিবাফ্লেডিট কার্ড থেকে টাকা Qpay Bangladesh নামক মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অন্য কোন ব্যাংক একাউন্ট বা বিকাশ বা নগদে নিয়ে নেন। এভাবেই বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে আসছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ মো. আব্দুল্লাহ বিন কালাম, এটিইউ'র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আখিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সালাউদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) তালাত মাহমুদ শাহানশাহ, কোতয়ালী থানার ওসি এম,এ জলিল, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (কোতয়ালী জোন) মো. রাকিবুল ইসলাম, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ভাঙ্গা জোন) মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত