ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৬ অাপডেট : ১২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:২৭

প্রিন্ট

চাঁদা না দেয়ায় যুবলীগ কর্মীর ওপর হামলা, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭

চাঁদা না দেয়ায় যুবলীগ কর্মীর ওপর হামলা
অনলাইন ডেস্ক

সাভারে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি করার অভিযোগে উঠেছে যুবলীগ কর্মী রাসেল মাদবর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ গুলিবিদ্ধ সাত জনকে উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন ও সাভার থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চারজনকে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লায় এ গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গুলি বর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি। গুলিবিদ্ধরা হলো- সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মো. মতিন মিয়ার ছেলে এবং ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. অপু আহমেদ (২৩), মজিদপুর মহল্লার মো. ইউনুস এর ছেলে মো. ইসমাইল (২৭), মোঃ রেজাউল করিম (২৮), সুমাইয়া আক্তার (২২) ও ডলি আক্তার (৩৯), আলেয়া পারভীন (২৮) ও শরীফ (২৬)।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সাভার পৌর যুবদলের সহ-সভাপতি ইউনুছ পারভেজ বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে শাহীবাগ এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবসা করি। সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল মাদবরের ছেলে রাসেল মাদবর আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে রাসেল মাদবর তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার অফিসে হামলা চালায় এবং এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে। এতে আমার কর্মচারী অপুসহ ৭ জন গুলিবিদ্ধ হলে তাদেরকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ ডলি আক্তারের স্বামী হুমায়ন কবির বলেন, হঠাৎ প্রচণ্ড গুলির শব্দ শুনে তার স্ত্রী ও মেয়ে ৫ তলার বাসার বারান্দায় এসে দাড়ায়। এসময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ দুটো গুলি এসে তার স্ত্রীর কোমরের নিচে ও মেয়ের বাম হাতে বিদ্ধ হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাসেল মাদবরকে না পেয়ে তার বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল মাদবরের সাথে কথা হলে তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, সকালে পূর্ব শক্রুতার জের ধরে যুবদল নেতা ইউনুছ পারভেজ ও তার লোকজন আমার বাসায় হামলা চালিয়ে গুলি ছুড়েছে। এছাড়া রাসেল মাদবরকে গুলি করে হত্যা এবং লাশ গুম করারও হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসক তমাল রায় বলেন, দুপুরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অপু আহমেদ নামে একজন রোগি আসে। তার বুকে এবং পেটে গুলি লেগেছে। পরবর্তীতে রেজাউল ও ইসমাইল নামে আরো দুই যুবক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল বলেন, হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close