ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:৪৩

প্রিন্ট

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ, অভিযুক্তরা ধরাছোয়ার বাইরে

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ, অভিযুক্তরা ধরাছোয়ার বাইরে
পাবনা প্রতিনিধি

সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ও তার সহযোগী মিলে স্কুলছাত্রীকে পালক্রমে ধর্ষণ করেছে। ওই স্কুলছাত্রী পাবনার বেড়া উপজেলার আলহাজ ইমান আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

নববর্ষের দিন রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নির্যাতিতা ছাত্রীর মা দু’জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। তবে সোমবার দুপুর পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

আসামি দু’জন হলেন, আমিনপুর থানার বৃ-নান্দিয়ারা গ্রামের আবুল শেখ ওরফে আবু সাইদের ছেলে জহুরুল ইসলাম (২৬) ও একই গ্রামের আবুল সাপুরিয়ার ছেলে আলামিন ওরফে মুজিব (২৪)।

নির্যাতিত স্কুলছাত্রী জানায়, আমিনপুর উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রামে বোনের বাড়ি থেকে রোববার দুপুরে বাঘলপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে অটোভ্যানে রওনা হয় সে। পথিমধ্যে অটোভ্যান নষ্ট হয়ে গেলে তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে দেন ভ্যানচালক। কিছু পথ অতিক্রমের পর চালক আলামিন ও তার বন্ধু জহুরুল অটোরিকশাটি একটি নির্জন বাগানের মধ্যে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেয়।

সোমবার দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নির্যাতিতা স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কর্তব্যরত গাইনি চিকিৎসক ডা. সাবেরা গুলরুখ জানান, প্রাথমিক পরীক্ষায় স্কুলছাত্রীকে নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে।

নির্যাতিতা স্কুলছাত্রীর মা জানান, রোববার বিকেলে আমার মেয়েকে অসুস্থ অবস্থায় কয়েকজন লোক বাড়ি পৌঁছে দেয়। মেয়ের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জেনে আমিনপুর থানায় আমি মামলা দায়ের করেছি। দিনে দুপরে যারা আমার মেয়েকে এভাবে নির্মম নির্যাতন করেছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, নির্যাতিতা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শুনেছি। শিক্ষার্থীর পরিবার রোববার রাতে আলামিন ও জহুরুলকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে একাধিক টিম মাঠে নেমেছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close