ঢাকা, শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬ অাপডেট : ২৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:০৯

প্রিন্ট

নুসরাত হত্যাকাণ্ড: সন্দেহভাজন মনি আটক

নুসরাত হত্যাকাণ্ড: সন্দেহভাজন মনি আটক
জার্নাল ডেস্ক

মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কামরুন নাহার মনি নামে আরেকজনকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার রাতে ফেনী থেকে তাকে আটক করা হয়।

ফেনী জেলা পিবিআিইয়ের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সন্দেহভাজন মনি নুসরাত হত্যার অন্যতম আসামি শাহাদাত হোসেন শামীমের সম্পর্কে ভাগ্নি। হত্যার দিন এক লিটার কেরোসিন বহন করে মাদ্রাসায় নিয়ে গিয়েছিল কামরুন্নাহার মনি। পিবিআই জানিয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে মনিকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

এর আগে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শাহাদাত হোসেন শামীমকে আটক করে পিবিআই। সোমবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে সোনাগাজী উপজেলার পশ্চিম তুলাতলি গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।

আলোচিত এ মামলা এ পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও পিবিআই। এদের মধে ওই অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলা, কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকছুদ আলম, শিক্ষক আবছার উদ্দিন, সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষের ভাগনি উম্মে সুলতানা পপি, জাবেদ হোসেন, যোবায়ের হোসেন, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন ও মো. শামীম। এদের মধ্যে মামলার এজহারভুক্ত আটজনের মধ্যে ৭ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। হাফেজ আবদুল কাদের নামে এজহারভুক্ত আরও এক আসামিকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে রোববার রাতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে নুসরাত হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার অন্যতম আসামি নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামিম। জবানবন্দিতে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার নির্দেশে তারা নুসরাতের গায়ে আগুন দিয়েছে বলে স্বীকার করেছেন।

গত ১০ এপ্রিল (বুধবার) রাত নয়টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ নুসরাত জাহান রাফি। পরদিন সকালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেয়ার পর বিকেলে সোনাগাজী পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close