ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০১৯, ২০:২৩

প্রিন্ট

কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত

কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত
জার্নাল ডেস্ক

ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাঁচা চামড়া রফতানির অনুমতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নির্ধারিত মূল্যে কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, নির্ধারিত মূল্যে কোরবানির পশুর চামড়া ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে না। এ বিষয়ে চামড়া শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

কাঁচা চামড়ার গুণাগুণ যাতে নষ্ট না হয়, সে জন্য স্থানীয় ভাবে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চামড়া সংরক্ষণের জন্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

এদিকে কাঁচা চামড়া রপ্তানির পথ খুলে দিলে চামড়ার দাম কিছুটা বাড়বে বলে বার্তা সংস্থা ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলাম।

রপ্তানির অনুমতি কবে দেয়া হবে এ ব্যাপারে বাণিজ্য সচিব বলেন, উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করেছি, আমরা হয়তো রপ্তানির অনুমোদন দেব, কালকে (বুধবার) অফিস খুললে চামড়াখাতের সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে বৈঠক করে কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমতির ঘোষণা দেওয়া হবে।

এবার ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর কাঁচা চামড়া ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ঢাকার বাইরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং খাসির কাঁচা চামড়া সারাদেশে ১৮ থেকে ২০ এবং বকরির চামড়ার দাম ১৩ থেকে ১৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয় সরকার। তবে ওই দামে কোথাও চামড়া বিক্রি হয়নি।

এদিকে ক্ষমতাসীন দলের ‘সিন্ডিকেটের কারসাজিতে’ কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম কমিয়ে ‘পাশের দেশে পাচার’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এমনকি মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও একই অভিযোগ করেছেন।

কেন এত কম দামে কাঁচা চামড়া বিক্রি হয়েছে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব মফিজুল ইসলাম বলেন, যদি ডিমান্ড থাকে তাহলে দাম বাড়বে। আমার কাছে মনে হচ্ছে সাপ্লাই আছে, কিন্তু ডিমান্ড নেই। ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বসে আমরা দাম নির্ধারণ করি। তারা বলছে, গত বছরের চামড়াই তাদের কাছে রয়ে গেছে। তারা নির্ধারিত মূল্যে চামড়া কিনছে না বলে তথ্য পাচ্ছি। যদিও আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি যাতে চামড়া বিক্রির টাকাটা এতিমখানা, মাদ্রাসা বা গরিব মানুষের কাছে যায়। কিন্তু বাস্তবটা হলো ট্যানারি মালিকরা চামড়া না কেনার ফলে দামটা তারা পাচ্ছে না।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত
close
close