ঢাকা, শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:২৩

প্রিন্ট

রঙ ফর্সা করার ক্রিমে ‘উচ্চ মাত্রার পারদ’

রঙ ফর্সা করার ক্রিমে ‘উচ্চ মাত্রার পারদ’
প্রতীকী ছবি
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের বাজারে এখন যেসব রঙ ফর্সাকারী পণ্য পাওয়া যাচ্ছে, বেশিরভাগে পারদের পরিমাণ সহনীয় মাত্রা এক পিপিএমের চেয়ে কয়েকশ গুণ বেশি। অধিকাংশটিতে পারদের পরিমাণ গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর পারদযুক্ত পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব’ শীর্ষক কর্মশালায় উদ্বেগজনক এই চিত্র তুলে ধরা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর এবং এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডো যৌথভাবে এ কর্মশালা আয়োজন করে।

গবেষকরা বলছেন, এই সব ক্রিম ব্যবহারের কারণে ত্বকের নানা সমস্যার পাশাপাশি কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সারাবিশ্বেই রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের ব্যবহার রয়েছে, তবে এশিয়ায় এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। চীন, ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলোর ৪০ শতাংশ নারী এই ধরনের ক্রিম ব্যবহার করেন।

বুয়েটের অধ্যাপক এবং এসডোর নির্বাহী পরিচালক সিদ্দীকা সুলতানা বলেন, পারদযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমগুলি সরাসরি আমাদের ত্বকে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং এসব দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে কিডনির জটিলতা, হজমে সমস্যা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস এবং স্নায়ুতন্ত্রজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

২০১৭ ও ২০১৮ সালে করা এসডোর একাধিক গবেষণার তথ্যে জানা যায়, প্রসাধনীসহ ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যেও পারদ ব্যবহৃত হচ্ছে। অজৈব পারদ ত্বক ফর্সাকারী পণ্যগুলোতে রয়েছে বেশি পরিমাণে।

কর্মশালার সভাপতি এসডোর মহাসচিব শাহরিয়ার হোসেন পারদ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নীতি ও বিধি বাস্তবায়ন এবং প্রয়োগের মাধ্যমে ত্বক ফর্সাকারী পণ্যগুলোর ব্যবহার নিষিদ্ধের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত