ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৮:৪২

প্রিন্ট

ক্যাসিনো-জুয়ার জন্য নীতিমালা তৈরির কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

ক্যাসিনো নীতিমালা তৈরির কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্যাসিনো বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, লুকিয়ে-চুরিয়ে এগুলো করার থেকে কারা কারা এগুলো করতে চান আমাকে একটা তালিকা দিন, লাইসেন্স নিয়ে-ট্যাক্স দিয়ে পরিচালনা করুন। আমার কোনো সমস্যা নাই।

বুধবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সম্প্রতি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান ও ভারতের দিল্লি সফরের অর্জন ও সফলতা তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় ক্যাসিনো প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা এখন ক্যাসিনো খেলায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে, তাদের কেউ এখন দেশ থেকে ভেগে যাচ্ছে, টাকা নিয়ে চলে যাচ্ছে। তাই আমি বলেছি একটা দ্বীপ খুঁজে বের করো। সেই দ্বীপে আমরা সব ব্যবস্থা আমরা করে দিবো। দরকার হলে ভাসানচর বিশাল দ্বীপ একপাশে রোহিঙ্গা আরেক পাশে আপনারা সবাই ওখানে চলে যাক। আমি বাস্তবতাটা বলছি। অভ্যাস যখন বদভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় এ বদভ্যাস তো যাবে না। বারবার খোঁজাখুজি করতে হবে। বারবার খোঁজাখুজি করার থেকে একটা জায়গাই দিয়ে দেবো। ভাসানচর খুবই বড় চর, কোনো অসুবিধা নেই। দশ লাখ লোকের বসতি দেওয়া যাবে।

তিনি বলেন, কারা কারা করতে চান, একটা তালিকা করে দেন। লাইসেন্স নিতে হবে, ট্যাক্স দিতে হবে আমার কোন আপত্তি নেই। আমরা টাকা পাবো তো ডেভলপমেন্ট করতে পারেবো। এখন দেখা যাচ্ছে লুকিয়ে, চুরিয়ে করা এটা সমাজের জন্য ক্ষতিকর, দেশের জন্য ক্ষতিকর। একচরে পাঠিয়ে দিলাম সব, যাহ…। এছাড়া কোনো উপায় দেখছি না।

ক্যাসিনো ও জুয়ার জন্য নীতিমালা তৈরির কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় উপস্থিত সকলে হেসে উঠেন।

চলমান শুদ্ধি অভিযান প্রসঙ্গে সরকার প্রধান বলেন, এই শুদ্ধি অভিযান কোন পর্যন্ত চলবে এটা এখনই বলা যাবে না। যতদূর পর্যন্ত প্রয়োজন চলবে। ক্যাসিনো-জুয়া এটা বহু বছর থেকেই ছিলো। এখন আমি যদি বলি আপনারা সাংবাদিকরাও তো বলেন নাই যে এমন কিছু একটা চলছে। আপনারা তো এতো খবর রাখেন, এতো এতো জায়গায় যান, আপনাদের ক্যামেরা এতো জায়গায় ঘোরে কোই এ জায়গায় পৌঁছায় নাই কেন কখনও? সেই প্রশ্নের জবাব কি দিতে পারবেন? পারবেন না। আর কেন পারবেন না, তাও যে একেবারে জানি না তা না। বাস্তবটা হলো আমি যখনই পেয়েছি, আমি তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিয়েছি।

প্রসঙ্গত, বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের ভারত অর্থনৈতিক সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী গত ৩ থেকে ৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে নয়াদিল্লি যান। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)-এর ৭৪তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশে তিনি ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/জেডআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত