ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৬ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৮:১০

প্রিন্ট

প্রাণের টানে ছুটছে মানুষ

প্রাণের টানে ছুটছে মানুষ
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। পায়রা বন্দরসহ তৎসংলগ্ন এলাকায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকতে জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জনপদে মানুষের সর্বোচ্চ সতর্কতাসহ নিরাপদ আশ্রয় এবং ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে। মহাবিপদ সংকতে জারির পরে প্রশাসন এবং সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় ঝুঁকিপূর্ণ এবং বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী মানুষ ছুটছে আশ্রয়কেন্দ্রে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শুক্রবার রাতভর থেমে থেমে বৃষ্টি ও শনিবার সকাল থেকে মৃদু বাতাসের সাথে হালকা-মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। গুমট মেঘাচ্ছন্ন আকাশের কারণে মানুষের মাঝে বিরাজ করছে এক ধরনের আতঙ্ক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় শুক্রবার বিকালের মধ্যে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকাররত অধিকাংশ ট্রলার তীরে ফিরে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। পায়রা বন্দরের পণ্য খালাস প্রক্রিয়া গতকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে। বন্দর ও এর আশেপাশের বিভিন্ন চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বর্তমানে স্থগিত।

এদিকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আগত পর্যটকদের সমুদ্র স্নানসহ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে শুক্রবার রাতে জরুরি পর্যালোচনা সভা করেছে বরিশাল বিভাগীয় কমিশার ইয়ামিন আহম্মেদ চৌধুরী। এ সসময় সরকারি দপ্তরের সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান জানান, পায়রা বন্দর সংলগ্ন উপকূলীয় এ অঞ্চলে আবহাওয়া অধিদপ্তর ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকতে জারির পরে প্রশাসন এবং সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের সাহাওতায় ঝুকিপূর্ণ ও বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী মানুষদের সরিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, পটুয়াখালী জেলায় দুর্যোগপ্রবণ মানুষের আশ্রয় নেয়ার জন্য ৪০৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী জরুরি সহায়তার জন্য ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ৩০০ মেট্রিকটন চাল, ৩৫০ বান্ডেল ঢেউটিন, ৩৫০০ পিস কম্বল বরাদ্দ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত