ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ২০:১৫

প্রিন্ট

সুন্দরবনে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’

সুন্দরবনে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’
অনলাইন ডেস্ক

সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের অগ্রবর্তী অংশ সুন্দরবনের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অংশে আঘাত হানতে শুরু করেছে।

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ক্রেমেই বাড়ছে ঝড়ের তিব্রতা। ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে। একই সাথে বেড়েছে ৪ থেকে ৫ ফুট পানির উচ্চতা। তছনছ করে দিয়েছে দুবলার চরের অস্থায়ী শুঁটকি পল্লী।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) দুবলারচর ভিএইচএফ স্টেশনের অপারেটর মো. কাশেম এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের দুবলারচরের অস্থায়ী শুঁটকি পল্লী এলাকার আলোরকোল, মেহেরআলীর চর, মাঝেরকেল্লা, অফিসকিল্লা ও শেলারচরে ২২ বছর আগে নির্মিত হওয়া জরাজীর্ণ ৫টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে ৬ হাজারেরও বেশি জেলেরা আশ্রয় নিতে পেরেছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে স্থান সংকুলন না হওয়ায় শুঁটকি পল্লীসহ ঝড়ের কারণে সাগর থেকে আসা আরো কয়েক হাজার জেলে নৌযানে করে ছোট-ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। ঝড়ের তীব্রতা বাড়ায় নৌযানে করে সুন্দরবনের খালে আশ্রয় নেয়া জেলেদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলের প্রভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগে আগামী ৩০ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরইমধ্যে আজ (শনিবার) দুপুর থেকে ঢাকায় বৃষ্টির মাত্রা বেড়েছে। সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়া।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল উপকূল অতিক্রমকালে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী চর ও দ্বীপগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ১০০-১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে নয় নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি হয়েছে। আর কক্সবাজারে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা যাচ্ছে।

খুলনা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম নদীবন্দরে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। দেশের অন্য নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা যাচ্ছে।

এনএইচ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত