ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২০, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ আপডেট : ২২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৭:৪৯

প্রিন্ট

চরাঞ্চল জুড়ে সরিষা ফুলের হাতছানি

চরাঞ্চল জুড়ে সরিষা ফুলের হাতছানি
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ সরিষার ফুল। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত যেমন মাঠ, তেমনি বাম্পার ফলনের হাতছানিতে কৃষকের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। যেন সরিষার হলুদ হাসিতে স্বপ্ন দেখছে কৃষক। রায়পুরে এবার সরিষার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৬শ মে.টন।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর দেশের অন্যতম মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীবিধৌত কৃষি প্রধান অঞ্চল। মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদী এ জেলা ওপর দিয়ে বয়ে যাওযায় কৃষি উৎপাদনে নদী অববাহিকায় ব্যাপক ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে।

নদীর তীর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ব্যাপকহারে এ সরিষা চাষাবাদ ও উৎপন্ন হয়ে থাকে। মেঘনার পশ্চিমতীরে রয়েছে ৪টি বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল।রায়পুরে ধান, আলু, সয়াবিন, পেঁয়াজ, রসুন, ভূট্টার পরেই সরিষার স্থান।

এ বছর রায়পুরে ২ হাজার ৪শ’ মে.টন সরিষা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে।

আবহাওয়ার অনুকূল পরিবেশ, পরিবহনে সুবিধা, কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ, কৃষি বিভাগের উৎপাদনের প্রযুক্তি প্রদান, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, কৃষিউপকরণ পেতে সহজলভ্যতা, বীজ, সার ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষিবিদদের পরামর্শ, ব্যাংক থেকে কৃষিঋণ প্রদান ইত্যাদি কারণে রায়পুরে চাষিরা ব্যাপক হারে সরিষা চাষ করছে।

বিশেষ করে রায়পুরের চরাঞ্চলগুলোতে ব্যাপক সরিষা চাষাবাদ ও উৎপাদন করে থাকে চাষিরা। কিন্তু দুঃখের বিষয় নদী তীরবর্তী হওয়ায় চরাঞ্চলের চাষিদের কৃষিঋণ দিচ্ছে না ব্যাংকগুলো।

চরাঞ্চলগুলো হলো, চরকাছিয়া, কানিবগা, টুনুরচর, চর ইন্দুরিয়া, ঘাষিয়ার চর, দক্ষিণ, উত্তর চরআবাবিল, ও চরমোহনা এলাকায় ব্যাপকভাবে পরিমাণে সরিষা চাষাবাদ হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত