ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, ৪ মাঘ ১৪২৭ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৭:১৪

প্রিন্ট

মৌমাছি আতঙ্কে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা

মৌমাছি আতঙ্কে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মৌমাছি আতঙ্কে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার উত্তর কচাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় ভবনে মৌমাছির ২২টি বাসা। বিদ্যালয়ের ছাদের তিন দিকের কার্নিশে বাসা বেধেঁছে মৌমাছিগুলো। ইতোমধ্যে মৌমাছির আক্রমনে ৮ থেকে ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এরপর থেকে আতঙ্কে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা।

মৌমাছির কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম। আক্রমণ থেকে বাঁচতে দরজা-জানালা বন্ধ রেখে নেওয়া হচ্ছে বাৎসরিক পরীক্ষা।

স্থানীয়রা জানান, দু’একদিন পরপরই আসছে আরো নতুন নতুন মৌমাছি। নতুন করে চাক বোনাচ্ছে বিদ্যালয়ের ছাদের বিভিন্ন অংশে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, মাঝে মধ্যেই মৌমাছি উড়ে এসে শরীরে হুল ফুটিয়ে দেয়। তাই সবসময় ভয়ে থাকতে হয় তাদের।

শিক্ষকরা জানান, মৌমাছির ভয়ে চুপচাপ রুমে ঢুকে দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে স্কুলে কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। রুমের দরজা-জানালা বন্ধ করে বাৎসরিক পরীক্ষা হচ্ছে।

বিদ্যালয়টির আশপাশের বাসিন্দারাও দিন কাটাচ্ছেন মৌমাছির আতঙ্কে। স্থানীয় ছামসুল আলম জানান, জোরে বাতাস উঠলে সবাইকে ভয়ে থাকতে হয়। আবার পাখি এসে মৌচাকে আঘাত করলে বিপদ। এগুলো তাড়ানোর ব্যবস্থা করা দরকার।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা খুশি রাণী জানান, একটু বাতাস আসলে বা পাখি উড়লে মৌমাছির দল উড়তে থাকে। এসে আমদের আক্রমণ করে। মাথা, মুখ শরীরে হুল ফুটায়। দু’দিন আগে প্রথম শ্রেণির বেশ কয়েকজনকে হুল ফুটিয়ে আহত করেছে মৌমাছি।

বিদ্যালয়টির সহসভাপতি তাইজুল ইসলাম জানান, যখন কম ছিলো তখন আগুন জ্বালিয়ে মৌমাছি তাড়ানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। বরং আরও অনেক এসেছে। বর্তমানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কহিনুর বেগম জানান, বিষয়টি সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ক্লাস্টারের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এছাহাক আলী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছি। আগুন জ্বালিয়ে ধ্বংস করলে বিল্ডিং ভবন নষ্ট হতে পারে। ফায়ার সার্ভিসকে জানানোর কথা ভাবছি।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত