ঢাকা, রোববার, ১৪ আগস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ আপডেট : ২ মিনিট আগে

অসহনীয় কাঁচা মরিচের বাজার, বেড়েছে মুরগির দাম

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২২, ১১:০২

অসহনীয় কাঁচা মরিচের বাজার, বেড়েছে মুরগির দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কাঁচা মরিচের বাজার অস্থির। দামে নেই কোনো নিয়ন্ত্রণ। অসহনীয় পর্যায়ে রয়েছে কাঁচা মরিচের দাম। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দামও কিছুটা বেড়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা এবং পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আর কাঁচা মরিচের কেজি আড়াইশ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বয়লার মুরগি বিক্রি করছেন কেজিপ্রতি ১৬০-১৬৫ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫০-১৫৫ টাকা। আর প্রতি কেজি পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৬০-২৮০ টাকা।

মুরগির দাম বাড়ার বিষয়ে হাতিরপুল বাজারের ব্যবসায়ী ওমর ফারুক বলেন, বাজারে সবকিছুর দাম বাড়তি। এছাড়া কোরবানির ঈদের মাংস অনেকের ফুরিয়ে এসেছে। ফলে বাজারে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে বাড়ছে দাম।

এদিকে কাঁচ মরিচের দাম নতুন করে আরও বেড়েছে। এখন এক পোয়া কাঁচা মরিচ কিনতে ক্রেতাদের ৬০-৬৫ টাকা গুনতে হচ্ছে। অথচ গত সপ্তাহে এক পোয়া কাঁচা মরিচের দাম ৫০ টাকা ছিল।

কাঁচা মরিচের দামের বিষয়ে শুক্রাবাদ বাজারের ব্যবসায়ী রাজু মিয়া বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তবে বৃহস্পতিবারের তুলনায় শুক্রবার কিছুটা কমেছে। বৃহস্পতিবার এক পোয়া কাঁচা মরিচ ৭০ টাকা বিক্রি করেছি। আজ ৬০ টাকা বিক্রি করেছি। পাইকারিতে দাম বাড়ার কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।

কাঁচা মরিচের দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী টিপু বলেন, বৃষ্টিতে কাঁচা মরিচের খেতের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে বাজারে সরবরাহ কমেছে কাঁচা মরিচের। যার প্রভাব দামে দেখা যাচ্ছে। তবে কাঁচা মরিচের এমন দাম খুব বেশি দিন থাকবে না।

এদিকে সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩০-১৪০ টাকা। গাজরের দাম কিছুটা কমলেও পাকা টমেটো গত সপ্তাহের মতো কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাকা টমেটোর মতো দাম অপরিবর্তিত রয়েছে বরবটির। এক কেজি বরবটি ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসার কেজি গত সপ্তাহের মতো ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা, কাঁকরোলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা, কাঁচা পেঁপের কেজি ২০-২৫ টাকা, পটল ২০-৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজিগুলোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দাম অপরিবর্তিত থাকার তালিকায় রয়েছে করলা, কচুর লতি, ঝিঙে, চিচিঙ্গা। এসব সবজি ৪০-৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। আর কচুর লতি ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙে, চিচিঙ্গার কেজিও ৪০-৫০ টাকার মধ্যে আছে। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা।

এছাড়া শুক্রবার বাজার ঘুরে দেখে গেছে, বাজারে কম দামের মাছগুলোর মধ্যে তেলাপিয়া ২০০-২২০ টাকায়, কই (চাষের) ২২০-২৪০ টাকায়, পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকায়, কাতল ৩৫০ টাকায়, বোয়াল ৫০০-৬০০ টাকা, মাগুর ৬০০ টাকা, মাঝারি ইলিশ ১১০০ টাকা, বড় ইলিশ ১৬০০ টাকায়।

পাশাপাশি, শিং (ছোট) ৪৫০-৫০০, চিংড়ি ৬০০-৬৫০ টাকা, পাবদা ৪৫০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০-৬০০, শোল মাছ ৪০০-৬০০ টাকা এবং আইড় মাছ ৬৫০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে ক্রেতা কম থাকলেও আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু, খাসির মাংস। মুরগিও আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে আজ গরুর মাংস ৭০০ এবং খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত