ঢাকা, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ আপডেট : ১০ মিনিট আগে
শিরোনাম

ড্যাম্পযুক্ত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৩, ১৫:৩০  
আপডেট :
 ২০ নভেম্বর ২০২৩, ১৬:৫৮

ড্যাম্পযুক্ত স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি
বার্জার মি. এক্সপার্ট ড্যাম্প গার্ড ‘আবদ্ধ ও ড্যাম্প পরিবেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি’ শিরোনামে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। ছবি: সংগৃহীত

বার্জার মি. এক্সপার্ট ড্যাম্প গার্ড ‘আবদ্ধ ও ড্যাম্প পরিবেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি’ শিরোনামে গত ১৮ নভেম্বর এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। উক্ত বৈঠকে বাংলাদেশ ইন্টারভেনশনাল পালমনোলজি ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড স্লিপ সোসাইটি (বিপস)-এর বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন সরকার, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহেদ পারভেজ, মাত্রিক-এর প্রধান স্থপতি সাঈদা আক্তারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের আলোচ্য বিষয় ছিলো- দেয়ালের ড্যাম্পের কারণে যে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে আমরা থাকি, সেখান থেকে আমাদের হতে পারে মানসিক অবসাদ, চর্মরোগ, হাঁচি, কাশিসহ অন্যান্য রেসপিরেটরি সমস্যা।

এই বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠকে অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন সরকার বলেন, ‘স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের সাথে ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসের একটা সম্পর্ক আছে এবং স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে এর সংক্রামণ বেড়ে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘অ্যাজমা রোগে সারা পৃথিবী ভুগছে এবং এর জন্যে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ সরাসরি সম্পর্কিত।’

ড্যাম্প বিষয়ে ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, ‘একটি গর্ভবতী মা যখন এই ধরনের পরিবেশের (ড্যাম্পযুক্ত স্যাঁতসেঁতে) মধ্যে বসবাস করেন তখন মা ও গর্ভের সন্তান টক্সিনের শিকার হচ্ছে, লো অক্সিজেনের শিকার হচ্ছে।’ তিনি তার বক্তব্যে আরও যুক্ত করেন, ‘ছোটদের ফুসফুস বেশি অ্যাফেক্টেড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমরা মিনিটে ২০-২২ বার শ্বাস নেই আর একটা বাচ্চা মিনিটে ৪০-৫০ বার শ্বাস নেয়, তাই বাচ্চাদের ফুসফুস বেশি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বার্জার পেইন্টস্‌ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর চিফ মার্কেটিং অফিসার তানজিন ফেরদৌস আলম, চিফ আরঅ্যান্ডডি অফিসার ড. এএসএম ওবায়দুল্লাহ মাহমুদ ও প্রতিষ্ঠানের ওয়াটার বেজ কোটিং বিভাগের প্রধান সাইফুল আশরাফ।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত