ঢাকা, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯, ১০ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯, ১৬:৩৯

প্রিন্ট

এডি রেশিও সমন্বয়ের সময় পেছানোর দাবি

এডি রেশিও সমন্বয়ের সময় পেছানোর দাবি
অনলাইন ডেস্ক

মন্দা কাটিয়ে উল্লম্ফন ঘটেছে পুঁজিবাজারে। তবে অর্থবাজার (মানি মার্কেট) ও পুঁজিবাজারের (ক্যাপিট্যাল মার্কেট) পরিস্থিতি আগামীতে কেমন থাকবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে ঋণ-আমানত অনুপাত (এডি রেশিও) সমন্বয়ের ওপর। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে অর্থবাজার ও পুঁজিবাজার।

তাই ব্যাংকাররা বলছেন, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে এডি রেশিও সমন্বয় করতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এজন্য আমানত সংগ্রহে ছুটছেন তারা। বেশি সুদে এক ব্যাংকের আমানত অন্য ব্যাংকের নিয়ে আসার ঘটনাও ঘটছে। এতে বেড়ে যাচ্ছে আমানতের সুদহার। ১০ শতাংশ সুদ প্রস্তাব করেও অনেক ক্ষেত্রে আমানত পাওয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হলে এডি রেশিও সংশোধন অথবা সমন্বয়ের সময়সীমা বাড়াতে হবে।

এরই মধ্যে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীরা এডি রেশিও সমন্বয়ের সময়সীমা পেছানোর দাবি তোলা শুরু করেছেন। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি প্রণয়নের জন্য গত সোমবার দেশের অর্থনীতিবিদ, সাবেক গভর্নর, ব্যাংকারসহ বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সংলাপে বসে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে এডি রেশিও সমন্বয়ের সময়সীমা পেছানোর দাবি তোলেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনিস এ খান।

অনুষ্ঠানে ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক এ চেয়ারম্যান বলেন, মুদ্রানীতি প্রণয়নের আগে সরকার দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে আগামী এক বছরে কত টাকা ঋণ নেবে তার পরিসংখ্যান জানা দরকার। বেসরকারি খাতে এ মুহূর্তে কী পরিমাণ ঋণ প্রস্তাব আছে, আগামী এক বছরে কী পরিমাণ বিনিয়োগ প্রস্তাব আসবে সেটিও হিসাব করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদার ভিত্তিতে মুদ্রানীতিতে ঋণ বিতরণে প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করতে হবে। একই সঙ্গে বাড়াতে হবে ব্যাংকগুলোর এডি রেশিও সমন্বয়ের সময়সীমা।

এডি রেশিও সমন্বয়ের সময়সীমা পেছানোর দাবি তুলবে বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসও (বিএবি)। সংগঠনটির চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, বাজারে তারল্য সংকট আছে। আমরা মনে করি, পরিস্থিতি বিচারে বাংলাদেশ ব্যাংকই এডি রেশিও সমন্বয়ের সময়সীমা পেছানোর উদ্যোগ নেবে। নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার বিষয়টি কেটে গেছে। এখন উদ্যোক্তারা নতুন নতুন বিনিয়োগ করবেন। উদ্যোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণ দেয়া না গেলে দেশের উন্নতি-অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে।

আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত