ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৪৩

প্রিন্ট

প্রাথমিকের দপ্তরিদের রাজস্ব খাতে নিতে চায় ডিপিই

প্রাথমিকের দপ্তরিদের রাজস্ব খাতে নিতে চায় ডিপিই
জার্নাল ডেস্ক

চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. ফসিউল্লাহকে অবসরোত্তর ছুটিতে পাঠিয়েছে সরকার। অবসরে যাওয়ার আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দিয়ে গেছেন তিনি।

চিঠিতে তিনি জানান, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরীদের চাকরি রাজস্ব খাতে নিতে চায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। গত সোমবার শেষ কর্ম দিবসে এ চিঠি দেন তিনি।

জানা গেছে, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া দপ্তরি কাম প্রহরীরা আন্দোলন করলে রাজস্ব খাতে পদ সৃষ্টির জন্য প্রস্তাবটি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সরকারি ভবন, মেশিনারিজ, ল্যাপটপ, স্থাপনা, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও ইকুইপমেন্ট রক্ষণাবেক্ষণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতে সৃষ্ট ৬৮৪টি ছাড়া অবশিষ্ট ৩৬ হাজার ৯৮৮টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম প্রহরী পদ আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়।

ইতোমধ্যে রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ ও বিদ্যালয়হীন এলাকায় এক হাজার ৫০০ বিদ্যালয় স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পে নির্মিত বিদ্যালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করায় এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৫ হাজার ৫৫৩টিতে উন্নীত হয়েছে।

এসব বিদ্যালয়ে ‘দপ্তরি কাম প্রহরী’ পদগুলোকে রাজস্ব খাতে মোট ৬৪ হাজার ৮৪৩টি পদ সৃষ্টির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী গত ২২ আগস্ট প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে সদ্য বিদায় নেয়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, ‘দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম প্রহরীদের চাকরি রাজস্ব খাতে নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য চিঠি দিয়েছি।’

এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এ পদটি ‘সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০১৮’ এর তফশিলভুক্ত হওয়ায় রাজস্ব খাতে সৃষ্টির সুযোগ নেই বলে দেয়। পরে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ১৯ মার্চ পাঠানো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তা জানায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, দপ্তরি কাম প্রহরী পদে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত আউটসোর্সিং নীতিমালা অনুযায়ী জনবল নিয়োগ না করে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বরের অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়।

এ অবস্থায় অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নীতিমালা অনুযায়ী জনবল নিয়োগ না করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালা অনুযায়ী দপ্তরি কাম প্রহরী পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এজন্য রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ৬৪ হাজার ৮৬৯টি দপ্তরি কাম প্রহরী পদ রাজস্ব খাতে সৃষ্টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে

পরীক্ষা ছাড়াই সমাপনীতে সার্টিফিকেট!

জেএসসি পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশ

অবশেষে মুখ খুললেন ডিপিই সচিব

খরবটিকে অসত্য বললেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ জার্নাল/কেআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত