ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ৭ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ৬ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:২৪

প্রিন্ট

প্রাণের ক্যাম্পাসে ফিরতে চায় তিতুমীরিয়ানরা

প্রাণের ক্যাম্পাসে ফিরতে চায় তিতুমীরিয়ানরা
ছবি: প্রতিনিধি
তিতুমীর কলেজ প্রতিনিধি

ক্যাম্পাসের প্রতি ভালোবাসার টান বুঝাতেই হয়ত এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দীর্ঘ ছুটি। করোনাভাইরাসের প্রকোপে ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এরইমধ্যে কয়েক দফায় বাড়ানো হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটি। ভাইরাসের প্রকোপ না কমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে না বিশেষজ্ঞরা। সরকারও হুটহাট করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায় না।

চলমান পরিস্থিতিতে সারাদিন ঘরবন্দি শিক্ষার্থীরা। কেউ কেউ অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন অনলাইন কোর্সে। কলেজের ডিপার্টমেন্ট থেকেও হচ্ছে অনলাইন ক্লাস। তবে এমন ঘরবন্দি জীবনে অতীষ্ট শিক্ষার্থীরা, তারা যত দ্রুত সম্ভব ফিরতে চান প্রাণের ক্যাম্পাসে।

কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যেন স্থবির হয়ে পড়েছে। তাছাড়া সেশনজটের সাথে সাত কলেজের পুরানো সম্পর্ক। যদিও বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থেকে অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করা হলেও তা যথেষ্ট না। কারণ অনেক শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট কেনার মতো আর্থিক অবস্থা নেই। সার্বিক দিক বিবেচনা করে তাই কলেজ খুলে দেয়ার পক্ষে মত অনেকের।

করোনার প্রকোপ এখন অনেকটাই কমে গেছে। লকডাউন এখন শিথিল, গণ-পরিবহন চলছে আগের নিয়মে, মার্কেটসহ সব জায়গায় এখন আগের মতই মানুষের আনাগোনা। তাই শিক্ষার্থীরাও এখন আর ঘরে বসে থাকতে চায় না।

তারা জানাচ্ছে প্রাণের ক্যাম্পাসে ফেরার আকুতি। এমন কিছু শিক্ষার্থীর ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ জার্নালের আজকের আয়োজন-

গণিত বিভাগের রাসেল প্রতিবেদককে বলেন, ‘এমনিতেই আমাদের ‌এখনও একটা পরীক্ষা বাকি, অন্যদিকে অনেক ডিপার্টমেন্টের রেজাল্ট পর্যন্ত প্রকাশ করেছে ঢাবি। আমরা ক্যম্পাসে ফিরে যেতে চাই।’

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাজীদ বলেন, ‘এখন যেহেতু পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক তাই ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ায় ভাল।’

অন্যদিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের হাসান বলেন, ‘আবদ্ধ জীবন ছেড়ে কবে পাব আবার মুক্ত জীবনের সাধ? কবে আবার মুক্ত বাতাসে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারব। করোনাভাইরাসের কারণে আমরা আবদ্ধ হয়ে পড়েছি। আর কত আবদ্ধ হয়ে থাকা যায়? দ্রুত ফিরে পেতে চাই ক্যাম্পাসের সোনালী দিনগুলোয়।’

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নওসাজ্জামান নওশি বলেন, ‘ভেবেছিলাম অনেকদিন ধরে ক্যাম্পাস বন্ধ হয়নি। বাড়ি যাওয়ার এক অজানা আকুতি বার বার নাড়া দিচ্ছিল মনে। ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ার পর বাড়ির দিকে রওনা হলাম। প্রথম কয়েক দিন ভালোই লাগল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে কারাগারে বন্দি। আর বাড়িতে ভালো লাগছে না।’

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

আরো পড়ুন:

> সরকারি তিতুমীর কলেজ শিক্ষক পরিষদের নতুন কমিটি​

> প্রশংসিত ‘তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতি’

> নিজ ঘরে ‘পরবাসী’ তিতুমীর পরিবার

> সরকারি তিতুমীর কলেজের ওয়েবসাইট হ্যাক

> তিতুমীর কলেজে ৫টি বাস দিচ্ছেন কাদির মোল্লা

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত