ঢাকা, রোববার, ১৬ মে ২০২১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ আপডেট : ৮ মিনিট আগে

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২১, ২১:৩৬

প্রিন্ট

শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
ছবি: প্রতিনিধি

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাধ্যমিকের মত এবার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। তবে এটি ‘বাসার কাজ’ হিসেবে গণ্য হবে। এরই মধ্যে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বাসায় অ্যাসাইনমেন্ট পৌছে দেয়া শুরু করেছেন।

ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমান মহামারি পরিস্থিতির কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রাথমিকস্তরের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় যুক্ত রাখতে টেলিভিশন, কমিউনিটি রেডিওতে ক্লাস সম্প্রচার শুরু করা হলেও নানা প্রতিকূলতার কারণে অনেকে এ আওতার বাইরে থাকছে।

এ কারণে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বাসার কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক থেকে প্রতি সপ্তাহে শিক্ষকরা নিজে গিয়ে বা যেকোনো মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাসার কাজ বুঝিয়ে দেবে। সপ্তাহ শেষে তা সংগ্রহ করে মূল্যায়ন করবেন।

এ বিষয়ে একাধিক শিক্ষক বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি অ্যাসাইনমেন্ট পৌছানোর কাজ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে কিছু কিছু উপজেলায় শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বাড়িতে অ্যাসাইনমেন্ট পৌছে দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এটি শুরু হবে।

মাহবুবর রহমান নামের এক শিক্ষক বলেন, ভার্চুয়াল মিটিংয়ে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ করছি আমরা। তবে কোনো পরিপত্র জারি হয়েছে কি না তা আমি জানিনা।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের ক্লাসের শিক্ষার্থীদের ভাগ করে নিয়ে নিয়মিত তাদের অ্যাসাইমেন্ট কাজ দেওয়া ও নেওয়ার দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষার্থীর বাসা দূরে হলে মোবাইল ফোনে বাসার কাজ বুঝিয়ে দিয়ে তা সংগ্রহ করে মূল্যায়ন করতে বলা হয়েছে। কেউ যদি হোমওয়ার্ক বুঝতে না পারে তবে তার সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বুঝে নেবে। পাশাপাশি ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, বড় ভাই-বোন, প্রতিবেশী বা আত্মীয়-স্বজনদেরও এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জানতে চাইলে ডিপিইর মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুর আলম বলেন, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতে আমরা নানা উদ্যোগ নিয়েছি। এরই অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের হোমওয়ার্ক দেওয়া হবে। শিক্ষকরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে এটা মনিটরিং করবেন।

তিনি বলেন, যতদিন স্কুল বন্ধ থাকবে ততদিন এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। যেহেতু প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইমেন্ট সম্পর্কে ধারণা নেই তাই এটিকে বাসার কাজ হিসেবে গণ্য করা হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/একে/এমএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত