ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ৩ আষাঢ় ১৪২৮ আপডেট : ১৫ মিনিট আগে

প্রকাশ : ১১ জুন ২০২১, ২১:০৫

প্রিন্ট

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে নীলক্ষেতে সংহতি সমাবেশ

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে নীলক্ষেতে সংহতি সমাবেশ
ছবি- নিজস্ব

ঢাবি প্রতিনিধি

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস ও হল খুলে দেওয়ার দাবিতে রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের সংহতি সমাবেশ হয়েছে৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা এই সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন৷

শুক্রবার বিকেলে নীলক্ষেত এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে তারা এই সমাবেশ করেন৷ সাত কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানারে আয়োজিত এই সমাবেশে বেশ কিছু শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সংহতি জানান।

এর আগে গত কয়েকদিন ধরে হল ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে নীলক্ষেতে মানববন্ধন, সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। পরে গত ৬ জুন (রোববার) একই দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

সমাবেশে অংশ নিয়ে চিকিৎসক ও ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে বলে যুক্তি দিয়ে হল-ক্যাম্পাস খুলে দেওয়া হচ্ছে না, এটা সরকারের দিক থেকে একমাত্র বক্তব্য। করোনাভাইরাস কবে যাবে, তা নিশ্চিতভাবে কেউ বলতে পারছে না। সহসাই আমরা এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাচ্ছি না৷ তাই এই ঢেউয়ের মধ্যে সাঁতার কাটা আমাদের শিখতে হবে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো গতিশীল করার রূপরেখা লাগবে। এর একটি হচ্ছে শিক্ষা। কিন্তু শিক্ষা নিয়ে কোনো পরিকল্পনা বা রূপরেখা তৈরির কোনো লক্ষণ বাংলাদেশে নেই।

শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও শিক্ষক ইসহাক সরকার বলেন, আমি খুব শঙ্কিত, যখন আমি ঘরে ঢুকে দেখি আমার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে সারাদিন মোবাইল হাতে বসে থাকে । অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া শিক্ষার্থী, আমার মেয়ে ফেসবুকে স্টাটাস দেয়, আর ভালো লাগছে না, একাকিত্ব আর ভালো লাগে না, তখন আমি খুব উদ্বিগ্ন হয়।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ইসমাইল সম্রাট বলেন, সবকিছু খুলে দিয়ে শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ রাখা হয়েছে কেন? শিক্ষা যদি আমাদের মৌলিক অধিকার হয়ে থাকে, দেশ যদি সংবিধানিকভাবে চলে তাহলে আমাদের মৌলিক অধিকার শিক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছে কোন অধিকারে।

সমাবেশে সংহতি জানান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক নাসির উদ্দিন আহমদ, চলচ্চিত্র সমালোচক বিধান রিবেরু, চিকিৎসক মজিবুল হক ও স্বদেশি আন্দোলনের আহ্বায়ক শাখাওয়াৎ হোসেন ভূঁইয়া প্রমুখ ৷

বাংলাদেশ জার্নালক/এমএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত