ঢাকা, রোববার, ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ আপডেট : ৮ মিনিট আগে
ব্রেকিং নিউজ
  •   দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হাজী সেলিমের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

অনশন ভাঙবেন না শিক্ষার্থীরা, একটাই দাবি উপাচার্যের পদত্যাগ

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:২০  
আপডেট :
 ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:৩৭

অনশন ভাঙবেন না শিক্ষার্থীরা, একটাই দাবি উপাচার্যের পদত্যাগ
ছবি- সংগৃহীত
জার্নাল ডেস্ক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির আলোচনা শেষ হয়েছে। তবে সেখানে ভিসিকে ছুটি দেওয়া বা অপসারণের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনের ১২৯ নম্বর কক্ষে বসে জুম প্ল্যাটফর্মে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে এ আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর আড়াইটার দিকে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আলোচনায় উপস্থিত থাকা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।

শিক্ষার্থীদের মন্ত্রী নানা আশ্বাস দিলেও, অন্যতম দাবি ভিসির পদত্যাগ নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়ে চৌধুরী নাদেল বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তাদের বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, শিক্ষামন্ত্রী আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তিনি আন্দোলনরত ও অনশনরত শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেছেন তারা যেন অনশন ভেঙে আন্দোলন থেকে সরে যান।

শিক্ষার্থীদের এক দাবি, উপাচার্যের পদত্যাগ জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, শিক্ষার্থীরা আলোচনা করতে আগ্রহী, তবে অনশন ভাঙবেন না বলে জানিয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে কাল দুপুরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন শিক্ষার্থীরা।

২৩ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা আরও বেশি অবস্থান করলে অসুস্থতার সংখ্যাটা বাড়বে। আমরা শিক্ষামন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করেছি।

এর আগে ১৩ আগস্ট থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিও সামনে আসে আন্দোলনে।

গত রোববার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

১৯ জানুয়ারি বিকেলে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে তার বাসভবনের সামনে আমরণ অনশন শুরু করে ২৩ জন শিক্ষার্থী। একই দাবিতে পরদিন বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কয়েকশো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল বের করেন। অনশনে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া বাকিদের স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমজে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত