ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানোর প্রক্রিয়াগুলো দানবীয়

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১৪:৪৩  
আপডেট :
 ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১৪:৪৯

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানোর প্রক্রিয়াগুলো দানবীয়
সংগৃহীত ছবি।
জার্নাল ডেস্ক

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সৃষ্ট আন্দোলন থামানোর প্রক্রিয়াগুলো অমানবিক ও দানবীয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

বুধবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে শিক্ষার্থীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙানোর পর বেলা সোয়া ১১টার দিকে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা বলেন তিনি।

এসময উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে নানা অপচেষ্টার নিন্দা জানান তিনি।

এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন জনপ্রিয় এই লেখক এবং তার স্ত্রী অধ্যাপক ইয়াসমিন হক।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতের শুরুতে ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে বুধবার রাত ৪ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছান শাবিপ্রবির সাবেক এই দুই অধ্যাপক।

তারা গিয়েই শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা করে সার্বিক পরিস্থিতির ব্যাপারে খোঁজখবর নেন এবং তাদের সকল দাবি পূরণ হবে আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙতে অনুরোধ করেন।

শিক্ষার্থীদের প্রিয় শিক্ষক জাফর ইকবাল এসময় বলেন, ‘আজ উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আমার বাসায় আলোচনা হয়েছে। তারা আমার বাসায় এসেছিল। তারা আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তোমরা যা চাইছো, তোমাদের সকল দাবি পূরণ হবে। তোমাদের উছিলায় বাংলাদেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও ঠিক হবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার পর আমরা আর দেরি করিনি, সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে এসেছি। আমরা তোমাদের অনশন না ভাঙিয়ে কোনোভাবেই ফিরবো না।’

শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ হবে এটি নিশ্চিত হয়েই এসেছেন বলেও জানান ২৫ বছরের শিক্ষকতা জীবন ছেড়ে ২০১৯ সালে অবসরে যাওয়া সাবেক এই অধ্যাপক।

অনশনকারী শিক্ষার্থীদের পানি পান না করিয়ে তিনি ক্যাম্পাস ছেড়ে যাবেন না বলেও ঘোষণা দেন এসময়। প্রিয় শিক্ষকের কাছে এমন আশ্বাস পেয়ে তারপরেই শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙতে রাজি হয়।

উল্লেখ্য, মুহম্মদ জাফর ইকবাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর অবসরে যান। এর আগে ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। অবসরের পর তিনি ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। গতকাল দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে সড়কপথে তিনি সিলেটে আসেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত