ঢাকা, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬ অাপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৯, ১৩:৪০

প্রিন্ট

১০৪ উপজেলার প্রাথমিকের জন্য সুখবর

১০৪ উপজেলার প্রাথমিকের জন্য সুখবর
জার্নাল ডেস্ক

গ্রাম বা মফস্বলে সরকারি প্রাথমিকের শিশুরা সাধারণত দরিদ্র পরিবার থেকে আসে। সকালে ভালোভাবে খেয়ে বিদ্যালয়ে আসতে পারে না তারা। অনেকের আবার বিদ্যালয়ে খাবারের জন্য তেমন কিছু নিয়ে আসারও সুযোগ নেই। তাই এ শিশুরা প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়ে দুপুরের দিকে। পেটে ক্ষুধা নিয়ে অমনোযোগী হয়ে পড়ে তারা শ্রেণিতে। পাশাপাশি পুষ্টির অভাবে মানসিক বিকাশেও বাধাগ্রস্ত হয়। এসব চিন্তাভাবনা থেকেই সারাদেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রান্না করা খাবার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এই আওতায় সারাদেশের প্রায় ৩২ লাখ শিক্ষার্থীকে আনা হবে। জাতীয় স্কুল মিল নীতি অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে ২০১৩ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফও) সহযোগিতায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা, বান্দরবানের লামা উপজেলা, বরগুনার বামনা উপজেলায় এ প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে চালু করা হলেও, এখন দেশের দারিদ্র্য প্রবণ এলাকার সকল সরকারি প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকল্পটি চালু করতে চায় সরকার।

আর তাই আগামী জুলাই থেকে আরও ১৬টি উপজেলায় চালু হবে দুপুরে খাবার দেয়ার এই কর্মসূচি। পরে এর আওতায় আসবে ১০৪টি উপজেলার সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী বছরের মধ্যে এসব প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, সারাদেশে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটির বেশি। এর মধ্যে দারিদ্র্য প্রবণ ১০৪টি উপজেলায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২ লাখের মতো। এসব উপজেলায় স্কুল মিল নীতি বাস্তবায়ন করতে গেলে বছরে ৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে বলে হিসাব কষেছে মন্ত্রণালয়।

আকরাম হোসেন আরও বলেন, আমরা ৮ হাজার কোটি টাকা চেয়েছি। সারাদেশে বাস্তবায়ন করতে গেলে এই টাকাটা লাগবে। তবে সরকারি সহযোগিতা ছাড়াও বেসরকারি পর্যায় থেকে কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে তাও আমরা নেব।

আরএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close