ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১২ জুন ২০১৯, ০৯:১৯

প্রিন্ট

প্রাথমিকের সময়সূচি নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিকের সময়সূচি নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী
জার্নাল ডেস্ক

প্রাথমিক স্কুলের সময়সূচি আপাতত কমিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেন। তবে তিনি বলেন, ক্লাসরুমের সংখ্যা বাড়ানো গেলে সময় কমিয়ে আনা হতে পারে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের সময় কমানো ব্যাপারে আমারা চিন্তা করছি। ইতোমধ্যে এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে মিটিংও করেছি। তবে বর্তমানে যে স্কুলগুলো আছে সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ কক্ষ নেই যে কারণে দুই শিফটে করতে হয়। আর তাই পূর্ণাঙ্গ ক্লাসরুম তৈরি করে এক শিফটে চালু করে কিছু সময় কমনোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

এছাড়া জাকির হোসেন বলেন, নতুন করে সারাদেশে আরো এক হাজার প্রাথমিক স্কুল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। একইসঙ্গে এসব স্কুলে শিক্ষকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থাও নির্মাণ করা হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আর কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের প্রস্তাব বিবেচনার সুযোগ নেই বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তিনি বলেন, নতুন করে প্রাথমিক স্কুল জাতীয়করণের সুযোগ নেই। এছাড়া প্রাথমিকের সময় সূচি কমবে এবং এক শিফট চালু হবে বলেও জানান তিনি।

৩ হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হতে পারে

সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর আবারো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে। তবে এবার আগেরবারের চেয়ে বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। সংসদে এসব তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরেই আমাদের সংসদ সদস্যরা এমপিও নিয়ে সংসদে কথা বলছেন। সরকারের গত মেয়াদে আমিও বলেছি। বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে সর্বশেষ বার সরকার ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছিল। এবার আরো অনেক বেশি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে।

তিনি আরো বলেন, বাজেট প্রাপ্তি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করা হবে। তবে সেই সংখ্যা কোনোভাবেই ৩ হাজার অতিক্রম করবে না। তিন হাজারের আশেপাশে হতে পারে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সদস্য নির্বাচনে নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে সম্প্রতি আলোচনা হয়। কমিটির একটি অংশ চেয়েছিল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা উচিত। অন্যদিকে আরেকটি অংশ চাচ্ছেন, যেখানে একজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে শিক্ষা যোগ্যতা লাগে না সেখানে পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের প্রয়োজন নেই।

এ নিয়ে স্থায়ী কমিটিতে বিতর্ক হয় বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছিল। তবে মঙ্গলবার এ বিষয়ে সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, স্থায়ী কমিটিতে বিষয়টি আলোচনা হয়েছে সত্যি। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন নেই এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রাণবন্ত আলোচনা হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটি কি হলে আরো ভালো হতে পারে, কিভাবে বিদ্যালয় মান উন্নয়ন করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা আরো হবে। এক সময় গিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

আরএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত
close
close