ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:৩৭

প্রিন্ট

জাবি’র ১ম বর্ষে ভর্তির সব কার্যক্রম স্থগিত

জাবি’র ১ম বর্ষে ভর্তির সব কার্যক্রম স্থগিত
অনলাইন ডেস্ক

‘অনিবার্যকারণবশত’ উল্লেখ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির সব কার্যক্রম স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ‘শুধুমাত্র অনলাইনে বিষয়ভিত্তিক পছন্দক্রমের ফরম পূরণ যথারীতি পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে। ভর্তি সম্পর্কিত সময়সূচি ও নির্দেশিকা পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।’

এতে বলা হয়, ‘শুধুমাত্র অনলাইনে বিষয়ভিত্তিক পছন্দক্রমের ফরম পূরণ যথারীতি পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে। ভর্তি সম্পর্কিত সময়সূচি ও নির্দেশিকা পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।’

দুর্নীতির অভিযোগে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে মঙ্গলবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় জাবি। এর মধ্যেও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন উপাচার্যবিরোধী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবি, উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত মাঠ ছাড়বেন না তারা। এ জন্য বুধবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করছেন আন্দোলনকারীরা।

অভিযোগ উঠেছে, হল ছাড়ার নির্দেশের পরও হলে অবস্থান করায় মেয়েদের হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তালা লাগিয়ে দেয়। তবে বিক্ষোভের মুখে পরে সেই তালা খুলে দেয় কর্তৃপক্ষ।

সভাপতি মো. জুয়েল বলেন, প্রশাসনিকভাবে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়ার পরপরই আমরা হল ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে এসেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আমরা আর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসবো না।

মঙ্গলবার উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে টানা আন্দোলনরত ছাত্র-শিক্ষকদের সাথে উপাচার্যপন্থী ছাত্র-শিক্ষকদের হাতাহাতির পর গভীর রাত পর্যন্ত উপাচার্যবিরোধীরা তার বাসার সামনে অবস্থান নেন।

এরই মধ্যে পরিস্থিতি শান্ত করতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ও নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে হলে ফেরেন আন্দোলনকারীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, বুধবারের পরও যারা হলে অবস্থান করবে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নতুন করে প্রভোস্ট কমিটির সভা হবে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে বন্ধ ঘোষণার পর কারো হলে থাকা উচিত নয়।

উপাচার্যপন্থীদের দাবি, আলোচনার পরিবর্তে আন্দোলনাকরীদের একগুয়েমির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অচলাবস্থা।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত