ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৬ অাপডেট : ৬ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০১৯, ০৯:৪৯

প্রিন্ট

৭ মার্চ ভাষণের ৪৮ বছর পূর্তিতে কলকাতায় সভা

৭ মার্চ ভাষণের ৪৮ বছর পূর্তিতে কলকাতায় সভা
কলকাতা প্রতিনিধি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদানের ৪৮ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হলো এক আলোচনা সভা। এই আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

এদিন আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপ দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা যথাক্রমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির বাণী এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপ রাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাঙালি জাতিকে সংঘবদ্ধ হতে সহায়তা করেছিলো। ৭ মার্চ রেসকোর্স থেকে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা না আসলে হয়তো এতো অল্প সময়ে প্রতিরোধ ও জেগে ওঠার মানসিকতা তৈরি হতো না।

৭ মার্চের ১৯ মিনিটের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণটি বিশ্বের ১২ টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর ঐতিহাসিক ভাষণটি ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’-এ অন্তর্ভুক্ত করেছে।

বাংলাদেশ উপ দূতাবাসের প্রথম সচিব (প্রেস) মোফাকখারুল ইকবাল বলেন, বাঙালির কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে সমুন্নত রেখে গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে কীভাবে দেশ স্বাধীন করতে হবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সেই পথ বাতলে দিয়েছিলো। বাঙালি জাতির মুক্তির পথ স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। এই ভাষণ আমাদের মুক্তির মন্ত্র, সংগ্রামের চেতনা এবং আত্মত্যাগের প্রেরণা।

এই অনুষ্ঠানে কনস্যুলার মনসুর আহমেদ তার বক্তৃতায় বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে দেয়া বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি যে কোনও বিচারেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তো বটেই, বিংশ শতাব্দীতেও সারা বিশ্বে যতোগুলি রাজনৈতিক বক্তৃতা দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ও ব্যাতিক্রমী।

এই আলোচনা অনুষ্ঠানে উপ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া) শেখ শফিকুল ইমাম বলেন, কঠিন সময়ে সবকিছু বিবেচনা করে যা বলার দরকার ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ৭ মার্চের ভাষনে সেটাই বলেছিলেন।

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close