ক্যারিয়ারের ২৩ বসন্তে শাকিব খান

প্রকাশ : ২৮ মে ২০২২, ১৫:১৭ | অনলাইন সংস্করণ

  বিনোদন প্রতিবেদক

ঢাকাই সিনেমার ‘ব্যয়বহুল তারকা’ বলা হয় একমাত্র শাকিব খানকে। গেল এক যুগেরও বেশি সময় ধরে যিনি রাজত্ব করছেন সিনেপাড়ায়। তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকটা খুব একটা ভালো না হলেও সময়ের কাছে নিজেকে বিকিয়ে দেন নি, হালও ছাড়েননি। যার কারণে সময়ের পরিক্রমায় তিনি নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছেন এবং হয়ে উঠেছেন সেরা তারকা। একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে নিজেকে নিয়ে গিয়েছেন অনন্য মাত্রায় এবং সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে করে তুলেছেন চাঙ্গা। শুধু তাই নয়, নিজেকে ‘ব্যয়বহুল তারকা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিতও করেছেন। তিনি-ই দেশের একমাত্র নায়ক, যিনি প্রতি সিনেমা প্রতি সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন যা প্রায় ষাট লাখের মত।

১৯৯৯ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘অনন্ত ভালোবাসা’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্র পাড়ায় পা রাখেন। এরপর একে একে বহু সিনেমায় নাম লেখান। দেখতে দেখতে তার ক্যারিয়ারের ২২ বসন্ত পার করে দিলেন ঢাকাই সিনেমার এ সুপারস্টার, পা রাখলেন ২৩-এ। 

দীর্ঘ এ যাত্রাটা তার জন্য সহজ ছিলো না। অনেক চরাই উৎরাই পেরিয়েই আজকের শীর্ষ অবস্থানে আছেন তিনি। সেসব কিছু স্মৃতির পাতায় রেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের কিছু অনুভূতি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লিখেন, ‘শুরুতে জানতাম না আমার ক্যারিয়ার কোন দিকে যাচ্ছে। প্রথমদিকে আমার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোও খুব বেশি সাফল্য পায়নি, তারপরও হাল ছাড়িনি। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি, ব্যর্থতাকে সাফল্যের মতো প্রাধান্য দিয়েছি। আমি সবসময় কঠোর পরিশ্রম, কাজের প্রতি আন্তরিকতা ও সততায় বিশ্বাসী। হয়তো এ কারণেই আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছি। আমি আনন্দিত এই ভেবে যে, আমার কাজের মাধ্যমে মানুষকে বিনোদিত করতে পেরেছি এবং তাদের খুশি করতে পেরেছি।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে যারা শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শাকিব আরও লিখেন, ‘অভিনয় জীবনে আজ পর্যন্ত যেসব পরিচালক, প্রযোজক, সহশিল্পী এবং ক্যামেরার পেছনে থাকা কলাকুশলীর সঙ্গে কাজ করেছি সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ২৩ বছরের ক্যারিয়ারে তাদের অবদান অসামান্য! বিশেষভাবে আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ; যারা আমার সকল শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস, তারা আমাকে এতোগুলো বছর ভালবাসা এবং সম্মান দিয়ে যাচ্ছে। আমার পরিবারের কাছেও কৃতজ্ঞ, তাদের চিরস্থায়ী সমর্থনের জন্য। সবার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।’

বাংলাদেশ জার্নাল/আইএন