ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে
শিরোনাম

৭১ বসন্তে রুনা লায়লা

  বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২২, ১৫:৩৮

৭১ বসন্তে রুনা লায়লা
উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
বিনোদন ডেস্ক

ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছুঁতেই ৭১-এ পা রাখলেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। দীর্ঘ পাঁচ দশকে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী গান। বাংলাদেশকে সাফল্যের সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। গানের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতিকে সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পরিচিত করিয়েছেন সংগীতশিল্পের জীবন্ত এ কিংবদন্তি। বাংলাদেশকে সাফল্যের সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দেয়ার পাশাপাশি উপহার দিয়েছেন বিভিন্ন ঘরানার হাজারো জনপ্রিয় গান। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ পেয়েছেন দেশ-বিদেশের নানা সম্মাননা।

জন্মদিন উপলক্ষে দিনটি সাধারণত বিশেষ আয়োজনের মধ্যদিয়েই উদ্যাপিত হয়। যদিও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে গত দুই বছর তার জন্মদিনটিকে ঘিরে বড় কোনো আয়োজন ছিল না। এদিকে এবার রুনা লায়লা জন্মদিনের দু’দিন আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছায় ভাসছেন। জন্মদিনে রুনা তার ভক্ত ও সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

রুনা লায়লা বলেন, জন্মদিন অবশ্যই বিশেষ। এ দিনটিতে আমার ভক্ত, শুভাকাংক্ষী ও সহকর্মীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা পেয়ে থাকি। মানুষের ভালোবাসাই আমার এ পর্যন্ত চলার পথের শক্তি। এই ভালোবাসাটা আমৃত্যু পেতে চাই।

১৯৫২ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন রুনা লায়লা। বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সংগীতশিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সংগীতশিল্পী। রুনার বয়স যখন আড়াই বছর, তখন তার বাবা রাজশাহী থেকে বদলি হয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের মুলতানে যান। সে সূত্রে তার শৈশব কাটে পাকিস্তানের লাহোরে। সংগীতশিল্পী মায়ের কাছে শিখেছেন সংগীতের প্রাথমিক ব্যাকরণ। এরপর করাচির সংগীতজ্ঞ আব্দুল কাদের পিয়ারাঙ্গ ও হাবীব উদ্দিন খানের কাছে তামিল নেন। মাত্র ছয় বছর বয়সে গান শুরু করেন রুনা। এরপর মাত্র সাড়ে ১১ বছর বয়সে পাকিস্তানের ‘জুগনু’ ছবির মাধ্যমে প্লেব্যাকের খাতায় নাম লেখান তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। প্লেব্যাক করেন পাকিস্তানের অনেক ছবিতে। দীর্ঘ সংগীত জীবনে ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন তিনি।

মুম্বাইয়ের একটি প্রতিষ্ঠান পাকিস্তানি সংগীত পরিচালক-সুরকার নিসার বাজমিরের প্রতিদিন ১০টি করে তিনদিনে ৩০টি গান রেকর্ড করেন, যা পৃথিবীর একদিনে রেকর্ড করা সবচেয়ে বেশি গানের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম ওঠায়।

এদিকে আজ এই কিংবদন্তির জন্মদিনে বিশেষ সম্মান জ্ঞাপন করার লক্ষ্যে তৈরি হয়েছে নতুন একটি গান। এতে কণ্ঠ দিলেন রুনা লায়লার ৪ অনুসারী। যারা উঠে এসেছেন চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠের মঞ্চ থেকে। তারা হলেন কোনাল, ঝিলিক, মেজবাহ বাপ্পী ও তরিক মৃধা। ১৫ই নভেম্বর বিকালে চ্যানেল আইয়ের নিজস্ব স্টুডিওতে রুনা লায়লার জন্য করা এ গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় ৪ জনই উচ্ছ্বাস নিয়ে গানটিতে কণ্ঠ দেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/আইএন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত