ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৪৫

প্রিন্ট

এক ভিক্ষুণীর অধিকার আদায়ের লড়াই

এক ভিক্ষুণীর অধিকার আদায়ের লড়াই
ছবি: সংগৃহীত
ফিচার ডেস্ক

নারীদের নিয়ে মিয়ানমারের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রচলিত ধ্যান ধারণাকে ভেঙ্গে দিতে চান একজন ভিক্ষুণী। তিনি মঠে আর সমাজে তাদের ভূমিকার পরিবর্তন আনতে চান। এজন্য বিপুল বাধাও তাকে অতিক্রম করতে হচ্ছে।

মিয়ানমারে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের কথা সবাই জানেন। কিন্তু দেশটিতে ৬০ হাজার ভিক্ষুণী আছে সে কথা কজনই বা জানেন। পুরষতান্ত্রিক সমাজে সেখানেও তারা বঞ্চনার শিকার হন। নানা ধরনের নির্যাতনের মধ্যে পড়েন। এই সব বিষয় নিয়েই উচ্চকিত ৪০ বছর বয়সী ভিক্ষুণী কেতুমালা।

তিনি বলেন, ‘একজন পুরুষ ভিক্ষু যখন সন্ন্যাস যাপন শুরু করেন, মানুষ তখন তার প্রশংসা করে। ধর্মের জন্য তা ভাল বলে অভিহিত করা হয়। কিন্তু একজন ভিক্ষুণী যখন সন্ন্যাস গ্রহণ করেন তখন সবাই মনে করে তার কোন সমস্যা আছে।’

দরিদ্র্য, বয়স্ক, অসুস্থ, তালাকপ্রাপ্ত কিংবা যারা অসহায় তারাই সাধারণত এই জীবন বেছে নেন বলে প্রচলিত ধারণা। যা ভেঙ্গে দিচ্ছেন কেতুমালা। বাগ্মীতা আর প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে এরিমধ্যে তিনি সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন ধম্ম স্কুল ফাউন্ডেশন। দেশজুড়ে শিশুদের জন্য এই সংস্থাটির চার হাজার ৮০০টি বৌদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে।

তারপরও ভিক্ষুণীদের অবহেলা আর অশ্রদ্ধা চোখে দেখা হয় বলে আপশোস তার। বৌদ্ধ মঠে তারা যথাযথ সম্মান পান না। আবার বাইরে সাধারণ মানুষের কাছেও লাঞ্ছনার শিকার হন। এমনকি রাস্তাঘাটেও তাদেরকে হয়রানি করা হয়ে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই পরিস্থিতি বদলাতে চান কেতুমালা। আর সে কারণেই মিয়ানমারে ভিক্ষুণীদের জন্য স্বীকৃতি ও সম্মান আদায়ে লড়ে যাচ্ছেন তিনি। সূত্র: ডয়চে ভেলে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত