ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২০, ১৫:৪৩

প্রিন্ট

গোলাপের গ্রাম সাদুল্লাহপুর

গোলাপের গ্রাম সাদুল্লাহপুর
ফিচার ডেস্ক

রাজধানীর মিরপুরের তুরাগ নদীর তীর ঘেঁষে রয়েছে বিরুলিয়া ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর গ্রামটিকে গোলাপের স্বর্গরাজ্য বললে ভুল হবে না। গ্রামের সরু আঁকাবাঁকা মেঠো পথ ধরে যে দিকেই যাবেন সেদিকেই সারিসারি অসংখ্য গোলাপের বাগান। ফুল প্রিয় মানুষের কাছে এ যেনো রূপকথার কোন এক রাজ্য। শুধু গোলাপ নয় আরো রয়েছে রজনীগন্ধা, গাঁদা, টিউলিপ সহ অন্যান্য ফুলের বাগান।

গত ২০-২৫ বছর ধরে এই গ্রামে চলে আসছে বাণিজ্যিক গোলাপের চাষ। এ অঞ্চলের মাটি সাধারণ কৃষি কাজের জন্যে মোটেও উপযুক্ত না হওয়ার কারণে ৯০ এর দশকে প্রথম গোলাপের চাষ শুরু হয়।

প্রতি বিঘা জমিতে চাড়া লাগানো হয় ৫-৬ হাজার। চাড়া বড় হতে সময় নেয় ৪-৫ মাস। শীতকে গোলাপের মৌসুম বলা হয়। এ সময় প্রতি বিঘা জমি থেকে ৬-৭ হাজার ফুল পাওয়া যায়। বছরের অন্যান্য সময়ে এক দিন পর পর প্রতি বিঘা থেকে ৩-৪ হাজার ফুল সংগ্রহ করা হয়।

স্থানীয় ফুল চাষিদের জন্যে রয়েছে ফুলের পাইকারি বাজার। প্রতিদিন বিকাল থেকে শুরু হয় বেচা কেনা। চলে গভীর রাত অব্দি। রাজধানীর সাহাবাগ ও আগারগাও থেকে পাইকাররা এসে ফুল কিনে নিয়ে যায়।

ফুলের দাম জানতে চাইলে পাইকারি বিক্রেতারা জানান, সিজনে আকার ভেদে প্রতি বান্ডিল (৩০০ ফুলে) ফুলের দাম হয় ২-৩ হাজার টাকা। অফ সিজনে তা নেমে আসে ১০০-২০০ টাকায়। এই ফুলের হাটে সিজনে প্রায় ১-১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বেচাকেনা হয়।

বিক্রেতারা আরো জানান, হাটের অবকাঠামো আর শহরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে ফুলের ব্যবসায় আরো উন্নতি সম্ভব।

গোলাপ গ্রামে ফুল প্রেমীদের আনাগোনাও কম নয়। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অনেক মানুষই ঘুরতে আসেন পরিবার নিয়ে। যেভাবে যাবেন গোলাপ গ্রামে। মিরপুর ১ নম্বর মাজার রোড থেকে রিকশায় করে যেতে হবে দিয়াবাড়ি বটতলা ট্রলার ঘাটে। সেখান থেকে ট্রলারে করে সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত