ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:০৯

প্রিন্ট

ডিমের গুণাগুণ

ডিমের গুণাগুণ
ফিচার ডেস্ক

নিখুঁত খাবারের তালিকা করা হলে ডিমগুলি নিঃসন্দেহে ভালো প্রতিযোগী হবে। ডিম সহজেই রান্না করা যায়। তাছাড়া ডিমের মূল্য কম এবং এতে পর্যাপ্ত পরিমাণের প্রোটিন থাকে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কানেক্টিকাট ইউনিভার্সিটির পুষ্টিবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ক্রিস্টোফার ব্লেসো বলেন, ডিম খুবই পুষ্টিকর। আর এটি যেহেতু প্রাণবন্ত বৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হয় তাই এতে সমস্ত উপাদানগুলো সঠিক পরিমাণে থাকে।

নিয়মিত ডিম খেলে আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ঘাটতি থাকার সম্ভাবনা থাকেনা। যেমন- আমরা সালাদের সাথে ডিম রাখতে পারি। যা ভিটামিন-ই জোগাতে সহায়তা করবে।

অবশ্য কিছু বছর আগে, ডিম খাওয়া নিয়ে বিতর্ক ছিলো। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছিলো ডিম হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

মার্কিন খাদ্যতালিকা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় সম্প্রতি বলা হয় প্রতিদিন ৩০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরলের প্রয়োজন রয়েছে। যার মধ্যে একটি ডিমের কুসুমেই পাওয়া যায় ১৮৫ মিলিগ্রাম।

কোলেস্টেরল আমাদের কোষের ঝিল্লিগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং ব্লক। এটি ভিটামিন ডি তৈরির জন্য এবং টেস্টোস্টেরন এবং ইস্ট্রোজেন হরমোন তৈরি জন্য প্রয়োজনীয়।

আমাদের শরীর প্রয়োজনে কোলেস্টেরল তৈরি করতে পারে। তবে গরুর মাংস, চিংড়ি এবং ডিম, পাশাপাশি পনির এবং মাখনসহ বেশ কিছু খাদ্যে কোলেস্টেরল পাওয়া যায়।

অনেকে হাঁস বা মুরগির ডিম এমনকি সাদা বা লালচে ডিম খাওয়া নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন। আসলে সব ধরনের ডিমের পুষ্টিগুণ একই রকম। তবে হাঁসের ডিমে প্রোটিন এবং চর্বির মাত্রা সামান্য বেশি, খেতে কোন মানা নেই।

তরুণরা এবং যারা বেশি কায়িক পরিশ্রম করেন তারা নিয়মিত ডিম খেতে পারেন। বয়স্করা সপ্তাহে ৫-৬টি ডিম খেতে পারবেন। আর যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছেন, তাদের সুস্বাস্থ্যের জন্যও নিয়মিত ডিম খাওয়া উচিত।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত