ঢাকা, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

রাণীশংকৈলে জনপ্রিয় হচ্ছে পার্চিং পদ্ধতিতে ধানচাষ

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৩১  
আপডেট :
 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৩৭

রাণীশংকৈলে জনপ্রিয় হচ্ছে পার্চিং পদ্ধতিতে ধানচাষ
ছবি: প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ধানের ক্ষেতে পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে এখন ধানচাষিদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্চিং পদ্ধতি।

উপজেলায় দেখা গেছে, ধানের জমিতে গাছের ডাল, খুঁটি, বাঁশের কঞ্চি ও ধইঞ্চার ডাল পোতা হয়। সেগুলোর উপর বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরা বসে ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে ফেলে। এই পার্চিং পদ্ধতি ফসলের পোকা দমনের জন্য ব্যয় অত্যন্ত কম ও পরিবেশবান্ধব।

এই পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন খরচ ও কীটনাশকের ব্যবহার কমে পাওয়ায় এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে উপজেলার কৃষকদের মাঝে। অনেক কৃষক আমন ফসলের ক্ষেতে কীটনাশক পরিহার করে পোকা দমনে সহজ ও লাভজনক পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, আমনের আবাদ গতবারের তুলনায় এবার বেশি হয়েছে। গত বছরে ২১ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছিল। গতবারের আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এবার উপজেলায় ২১ হাজার ৪৫৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদ হয়েছে।

মহামারী করোনার মধ্যেও উপজেলার কৃষকরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাদের জমিতে আমন ধান রোপণ করেছেন। বর্তমানে তাদের রোপণকৃত ধানগাছগুলো বড় হচ্ছে। এখন সবুজে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠগুলো। আর এই ধানের গাছ কৃষকদের মনে এনে দিয়েছে প্রশান্তি।

উপজেলার লেহেম্বা গ্রামের ধানচাষি মোবারক আলী জানান, এবার তাদের জমিতে ধান এখন সবুজ ও সতেজ হয়ে উঠেছে। তারা সম্পূর্ণ ক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, ক্ষতিকর পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি খুব কার্যকর। এই পদ্ধতি কাজে লাগালে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়। সেসঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ ও কম হয়। বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে পার্চিং পদ্ধতির চাষ। এ বছর এখন পর্যন্ত ৬০ শতাংশ জমি পার্চিংয়ের আওতায় এসেছে। আশা করছি স্বল্প সময়ের মধ্যে সেটা শতভাগ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ জার্নাল / এএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত