ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২০, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ আপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২১ মে ২০২০, ২২:৪৮

প্রিন্ট

করোনার জিনোম সিকোয়েন্স করলো আরো দুই প্রতিষ্ঠান

করোনার জিনোম সিকোয়েন্স করলো আরো দুই প্রতিষ্ঠান
জার্নাল ডেস্ক

করোনাভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিন নকশা উন্মোচন (জিনোম সিকোয়েন্সিং) করেছে দেশের আরো দুই প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জিন নকশা উন্মোচনের এ তথ্য জানানো হয়।

কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশেই এ নকশা উন্মোচনের কাজ হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

গত ১২ মে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের জিন–নকশা উন্মোচন করে। এ কাজে নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির অণুজীববিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা।

জিনোম হলো জীবের জিনগত বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা। বংশগতির সব বৈশিষ্ট্যই এক বা একাধিক জিনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। এসব বৈশিষ্ট্যের তথ্য জানার প্রাথমিক পদক্ষেপ হলো জিন–নকশা উন্মোচন। এ থেকে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কৌশল সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ বাস্তবায়নাধীন পাট বিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের (জুট জিনোম প্রকল্প) অধীন এবারে করোনার জিন–নকশা উন্মোচিত হলো।

পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষে এই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা পাট নিয়ে কাজ করি। সব জেনোম একই রকমের। তাই ভাইরাসেরও করতে পারি। কিন্তু আমাদের কাছে নমুনা ছিল না। আমরা চট্টগ্রাম থেকে প্রাপ্ত নমুণা প্রক্রিয়াজাত করে সিকোয়েন্স করে বুধবাত রাত ১১টার দিকে জমা দিয়েছি।

মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে সংক্রমিত নভেল করোনার সাতটি নমুনা ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করেছি। উন্মোচিত জিনোম তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সিকোয়েন্সগুলোর সঙ্গে সৌদি আরব, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিকোয়েন্সের মিল রয়েছে।

এ গবেষণায় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাশ। তিনি বলেন, সিকোয়েন্সের কাজে আমাদের নমুনা দিয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিশেষায়িত হাসপাতাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ (বিআইটিআইডি)। এখানে চট্টগ্রাম বিভাগের সাতজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সাতটি ভাইরাসের নমুণা নিয়ে নকশা উন্মোচন করা হয়। এরপর আমরার তা প্রক্রিয়াজাত করে নমুণাগুলো পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। এরপর তারা কাজ করেন।

অধ্যাপক গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, সিংগাপুরের কিছু জিনোমের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা গিয়েছে।

ফ্লু ভাইরাসের জিন–নকশা উন্মোচন করলেই তা উন্মোচনকারীরা জিআইএসএআইডি ডেটাবেজে আপলোড করে দেয়। এই দুই প্রতিষ্ঠানও তাদের নকশা–উন্মোচনের তথ্য এই ডেটাবেজে জমা দিয়েছে। সেখানে দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর ওয়েবসাইটেও এটা আপলোড করা হয়েছে।

তাদের নমুণা সরবরাহ করে। ভাইরাসটি এর রূপ দ্রুত পরিবর্তন করছে। সাতজনের করোনাভাইরাসের নমুনা নিয়ে এক নকশা উন্মোচন করা হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত