ঢাকা, রোববার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজসহ এন্টিজেন পরীক্ষার অনুমতি পেলো ৫৭ প্রতিষ্ঠান

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:২৮  
আপডেট :
 ২৯ জুলাই ২০২১, ২১:৫২

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজসহ এন্টিজেন পরীক্ষার অনুমতি পেলো ৫৭ প্রতিষ্ঠান
আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
নিজস্ব প্রতিবেদক

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মডার্ণ ডায়াগনষ্টিক সেন্টারসহ ৫৭টি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনা রোগ নির্ণয়ের জন্য এন্টিজেন টেস্ট করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এই ৫৭টি হাসপাতালের ভেতরে আনোয়ার খান মডার্ণের রয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠান।

এগুলো হলো- আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (বাড়ি নং ১৯/এ, ভাষা সৈনিক গাজীউল হক সড়ক, রোড-৮ ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫), মডার্ণ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার লিমিটেড (রোড-৮, বাসা-১৭ ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫), মডার্ণ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার লিমিটেড, ইউনিট-২ (১৪৭ ডিআইটি এক্সটেনশন রোড ফকিরাপুল, পল্টন, ঢাকা-১০০০) এবং মডার্ণ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার লিমিটেড, ফকিরাপুল শাখা (১৬৭/২/বি, ফকিরাপুল বক্সকালভার্ট রোড, ঢাকা-১০০০)।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. মো. ফরিদ হোসেন মিঞা স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

৫৭ অনুমোদন পাওয়া অন্য হাসপাতালগুলো হল-

আইচি হসপিটাল লিমিটেড, ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ল্যাব এইড হাসপাতাল, ডিএনএ সল্যূশন লিমিটেড, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফেমাস হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার লিমিটেড, এইচ এ এফ জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, চট্টগ্রাম মা শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল, জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, আদ-দ্বীন ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক হাসপাতাল, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল, উত্তরা ক্রিসেন্ট ক্লিনিক লিমিটেড, শমরিতা হাসপাতাল লিমিটেড, পার্কভিউ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, জালালবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, মেডিল্যাব হেলথ সেন্টার লিমিটেড, কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট, প্রোব- বাংলাদেশ লিমিটেড, নর্থ ইষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বসুন্ধরা মেডিকেল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টার (প্রো) লিমিটেড, জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল।

এছাড়া স্টেমজ হেলথ কেয়ার বিডি লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড মেডিকেল সেন্টার, মনোয়ারা হাসপাতাল, সায়মন মেডিকেল সেন্টার লিমিটেড, ট্রান্সওয়ার্ল্ড মেডিকেল সেন্টার, শিমলা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, আলোক হেলথ কেয়ার লিমিটেড, ল্যাবসাইন্স ডায়াগনষ্টিক, ক্যাথারসিস মেডিকেল সেন্টার লিমিটেড, মীম মেডিকেল সেন্টার, রেডিয়াম ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, ইনসাফ বারাকাহ কিডনী এন্ড জেনারেল হাসপাতাল, হেয়ায়েতপুর সেন্ট্রাল হাসপাতাল, কুমিল্লা সিটি স্ক্যান, রেডিয়াম ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, ফ্রেন্ডস কেয়ার হাসপাতাল লিমিটেড, আল-রিয়াদ মেডিকেল চেক-আপ, ডগমা হাসপাতাল লিমিটেড, শিওরসেল মেডিকেল (বিডি) লিমিটেড, ডা. লাল প্যাথ ল্যাবস বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড, লিডিং হেলথ চেক- আপ, ওয়েলকাম ডায়াগনষ্টিক এন্ড মেডিকেল সেন্টার, গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল, রেডিয়াম ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, রুপসী বাংলা কনসোটিয়াম লিমিটেড, ডেলটা হেলথ কেয়ার চিটাগাং লিমিটেড, হিউম্যান এইড রিসার্চ ল্যাব, এস কে এন হেলথ সার্ভিসেস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা খাতে করোনা রোগ নির্ণয়ের জন্য এন্টিজেন টেস্টের অনুমোদন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ভবিষ্যতে শর্তাবলী অনুসরণ করতে প্রাপ্ত আবেদন বিবেচনা করা হবে।

শর্তগুলো হল

করোনার উপসর্গ (সর্দি, কাশি, শ্বাস-কষ্ট, মাথা ব্যথা, নাকে ঘ্রাণ না পাওয়া, মুখে স্বাদ না পাওয়া, ডায়রিয়া ইত্যাদি) গত ১৪ দিনের মধ্যে করোনা পজিটিভ রোগীর সরাসরি সংস্পর্শে এসেছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, এন্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ হলে ডিএইচআইসি-২ সার্ভারে এন্ট্রি দিতে হবে। লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির এন্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ হলে রিপোর্ট না দিয়ে আরটি-পিসিআর ল্যাব হতে টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে এবং ওই রিপোর্ট ডিএইচআইসি-২ এন্ট্রি দিতে হবে, পরীক্ষার সর্বোচ্চ মূল্য ৭০০ টাকা। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে বাসা হতে নমুনা সংগ্রহ অতিরিক্ত ৫০০ টাকা এবং একই পরিবারের একের অধিক সদস্যের নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রেও চার্জের পরিমাণ ৫০০ টাকার অধিক হবে।

এছাড়া রিপোর্টের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এম আই এস শাখা হতে আইডি, পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে হবে এবং সকল বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেএস/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত