ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ আপডেট : ৮ মিনিট আগে

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১৫:১৪  
আপডেট :
 ১৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬:৫৪

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি
ছবি: নিজস্ব
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের আয়োজন করে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ।

রাজধানীর এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি চলে। এতে ১৬ জন রক্তদান করেছেন এবং ৪৮ জনের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়েছে। ক্যাম্পেইনটি পরিচালনা করেন আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারহানা জামান।

জাতীয় দিবসগুলোকে কেন্দ্র করে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এই ধারাবাহিকতায় বিজয়ের ৫০ বছরে সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

নাক, কান, গলা রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আফরোজা সুরাইয়া মজুমদার সর্বপ্রথম রক্তদান করে আজকের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

রক্তদান কর্মসূচি সম্পর্কে ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারহানা জামান বলেন, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় রাখা হয়েছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে যারা আজ স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন, তাদের রক্ত আমাদের যে ফ্রি বেডের দরিদ্র রোগী আছে তাদের প্রয়োজনে বিনামূল্যে দেয়া হবে।

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেলের উদ্যোগে যারা আজ রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করেছেন তাদের একটি তালিকা করা হয়েছে, পরবর্তীতে প্রয়োজনের সময় অনুমতি সাপেক্ষে তাদের থেকে রক্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি দিবসেই আমরা এমন মহৎ কিছু কাজ করে থাকি। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক এবং রক্তদানে সক্ষম ও সুস্থ্য তাদের উদ্বুদ্ধ করা যাতে তারা রক্তদান করতে পারেন। একবার রক্ত দিলে চার মাস পরই আবার রক্ত দেয়া যায়। রক্ত দেয়া কঠিন কিছু না। চাইলেই রক্ত দেয়া যায়।

রক্ত দিলে কোন সমস্যা হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সহকারী অধ্যাপক ফারহানা জামান বলেন, রক্তের আরবিসি বা রেড সেল যেটা বলে সেই সেলটার স্থায়িত্ব ১২০ দিন, এরপর সেই সেল ভেঙ্গে যায়। আবার নতুন সেল তৈরী হয়। তাই চার মাস পর রক্ত দিলে আমাদের কোন ক্ষতি হবে না, বরং আরও সুস্থ্য থাকা যায়। এই এক ব্যাগ রক্ত থেকে তিনটা কম্পোনেন্ট তৈরী করতে পারি। ফলে যেই রোগীর যেটা প্রয়োজন তাকে সেটা দিতে পারি। এভাবে এক ব্যাগ রক্ত থেকে তিনজন মানুষকে বাঁচানো সম্ভব।

বাংলাদেশ জার্নাল/এফজেড/এমএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত