ঢাকা, বুধবার, ১০ আগস্ট ২০২২, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯ আপডেট : ৫ মিনিট আগে

ফরিদপুরে ফের বাড়ছে করোনা, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ৮২

  ফরিদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২২, ১০:১০

ফরিদপুরে ফের বাড়ছে করোনা, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ৮২
ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে নতুন করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। গত এক সপ্তাহে জেলায় ৩৩১ জনের নমুনায় ৮২ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন করে ২৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন।

এদিকে করোনার চতুর্থ ঢেউ আখ্যায়িত করে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে নির্দেশনা দিলেও ফরিদপুর জেলা শহর থেকে শুরু করে উপজেলা শহর ও গ্রামের অধিকাংশই মানছে না এ নির্দেশনা। সরকার কর্তৃক আরোপিত নির্দেশনায় মাস্ক বাধ্যতামূলক বলা হলেও ৯৫% মানুষকে মাস্ক ব্যবহারে অনীহা দেখা গেছে।

জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে সবচেয়ে বেশী সংক্রমিত হয়েছে ফরিদপুর সদর উপজেলা। জেলায় গত এক সপ্তাহে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৬৫ জনের মধ্যে ফরিদপুর সদর উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫ জন এবং গত ২৪ ঘন্টায় ২৩ জনের মধ্যে ১৭ জনই রয়েছে জেলা সদরের।

এছাড়া গত এক সপ্তাহের হিসাবে দেখা গেছে, জেলা সদরের পর সদরপুর উপজেলায় ১০ জন, ভাংগা উপজেলায় ৫ জন, সালথায় ৩ জন, নগরকান্দায় ৩ জন, মধুখালীতে এবং বোয়ালমারীতে একজন করে শনাক্ত হয়েছেন। এরমধ্যে আলফাডাঙ্গা ও চরভদ্রাসন উপজেলায় নতুন করে সংক্রমণ দেখা দেয়নি।

করোনা ভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ মোকাবেলায় এক সপ্তাহ আগে অফিস-আদালত, ধর্মীয় প্রার্থনার স্থান, গণপরিবহণ, দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল রেস্টুরেন্টে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরাসহ ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) ফরিদপুর জেলা শহর ঘুরে দেখা যায়, কোথাও কেউই ব্যবহার করছে না মাস্ক, মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। হাতেগোনা কয়েকজনের মুখে মাস্ক দেখা যায়। কারো-কারো সঙ্গে মাস্ক থাকলেও না পরে সেটি পকেটে, হাতে বা গলায় ঝুঁলিয়ে রাখছেন। অনেকের আবার জ্বর, সর্দি-কাশিসহ করোনার উপসর্গ থাকলেও পরীক্ষা না করে সব জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাওয়ার মূল কারণ হবে উদাসিনতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, সবার মাস্ক পড়তে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। তা-না হলে সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়বে। আগের মতো আইসিইউয়ে সিট সংকট দেখা দেবে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৩ই এপ্রিল জেলায় প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ২৫ হাজার ৬১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, সুস্থ হয়েছেন ২৪ হাজার ৯৮৪ জন এবং ৫৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/রাজু

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত