ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ২৩ আশ্বিন ১৪২৯ আপডেট : ১ মিনিট আগে

টিচিং মেথলোজি অ্যান্ড অ্যাসেসম্যান্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে সনদ বিতরণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২২, ১৪:০৩  
আপডেট :
 ০৭ আগস্ট ২০২২, ২০:৩১

টিচিং মেথলোজি অ্যান্ড অ্যাসেসম্যান্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে সনদ বিতরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

মেডিকেল কলেজ সমূহের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয় রোববার। সেন্টার ফর মেডিকেল এডুকেশন এর উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫০টি মেডিকেল কলেজে একযোগে টিচিং মেথোলজি এন্ড অ্যাসেসমেন্ট প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

এর মধ্যে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ একটি। জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৬মাসের এ প্রশিক্ষণ শেষ হয় জুনে। রোববার এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিতরণের জন্য স্ব স্ব হাসপাতালে সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দেয়া হয়। করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রতিটি কলেজ থেকে দুই জন করে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক অংশ নেন। পাশাপাশি নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষকরা ভার্চুয়ালি অংশ গ্রহণ করেন।

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৪০জন শিক্ষক এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। এ প্রশিক্ষণ কোর্সের জন্য আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৪জন বিশিষ্ট শিক্ষককে উপদেষ্টা করা হয়।

তারা হলেন, কলেজর অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. এখলাছুর রহমান, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. হাবিবুজ্জামান চৌধুরী, প্রফেসর ডা. মাহফুজুর রহমান ও প্রফেসর ডা. আজিজুল কাহ্হার।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ১০জন শিক্ষক হলেন, অধ্যাপক সেহেরীন এফ. সিদ্দিকা, অধ্যাপক ডা. মাসুদা বেগম, অধ্যাপক ডা. মৌসুমি সেন, অধ্যাপক ডা. জাকিয়া সুলতানা শহিদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান সিদ্দিকী, ডা. মো. আতিকুর রহমান, ডা. সৈয়দ মো. তানজিল হক, ডা. ফারহানা খন্দকার, ডা. সাদিয়া শারমিন ও সহকারী অধ্যাপক ডা. শারমিন সিদ্দিকা ইসলাম।

প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ও অব্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সেহেরীন এফ. সিদ্দিকা বলেন, এটা সেন্টার ফর মেডিকেল এডুকেশনের একটা গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। সারাদেশে ১৪০টি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এরমধ্যে ৮০শতাংশ বেসরকারি মেডিকেল কলেজ। আমাদের যে কারিকুলাম তা দিন দিন অ্যাডভান্স হচ্ছে।

এ বিষয়ে অনেক শিক্ষক হয়তো জানেন না। শিক্ষকরা যদি আপডেট না থাকেন, আন্তর্জাতিকভাবে যে টিচিং দেয়া হচ্ছে সে সম্পর্কে অবহিত না থাকেন তাহলে ছাত্রদের সঠিকভাবে শিক্ষাদান করতে পারবেন না। সে জন্য আমাদের প্রয়োজন ‘ট্রেনিং ফর দ্যা টিচিং’।

তিনি জানান, সারাদেশে তিন হাজার শিক্ষক রয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষককে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত